বলিউডের কিংবদন্তী অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণে তাঁর পরিবার বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) পৃথক দুটি প্রার্থনা সভার আয়োজন করেন। একটি তাঁর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর ও দুই ছেলে সানি দেওল–ববি দেওলের পক্ষ থেকে, আরেকটি তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী ও দুই কন্যা এষা–অহনা দেওলের পক্ষ থেকে।
একই দিনে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে দুটি স্মরণ সভা হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
জানা গেছে, প্রথম প্রার্থনা সভার আয়োজন করে সানি–ববি ও তাদের মা প্রকাশ কৌরের পক্ষ থেকে। ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর, দুই ছেলে সানি দেওল ও ববি দেওল মুম্বাইয়ের একটি পাঁচতারা হোটেলে তাঁর স্মরণে প্রার্থনা সভার আয়োজন করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন শাহরুখ খান, সালমান খান, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, অভিষেক বচ্চন, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, অভয় দিওল, আরিয়ান খানসহ বলিউডের বহু তারকা।
দ্বিতীয় প্রার্থনা সভা হয় হেমা মালিনীর বাসভবনে। যেখানে উপস্থিত ছিলেন গোবিন্দর স্ত্রী সুনীতা আহুজা ও ছেলে যশবর্ধন, এষা দেওলের প্রাক্তন স্বামী ভরৎ তক্তানি, অভিনেত্রী মধুসহ আরও অনেকে।
ধর্মেন্দ্রকে নিয়ে পরিবারের দুই আয়োজন ইতিমধ্যে আলোচনায়। প্রশ্ন উঠছে, কেন দুই আলাদা আয়োজন?
এ বিষয়ে গণমাধ্যমগুলো বলছে, ধর্মেন্দ্র যখন হেমা মালিনীকে বিয়ে করেন, তখন তিনি প্রকাশ কৌরের স্বামী এবং চার সন্তানের বাবা। অনেক পুরোনো এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী বলেছিলেন, তিনি সবসময় চেষ্টা করেছেন প্রথম পরিবারের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান জানাতে এবং তার জীবনে কখনো হস্তক্ষেপ না করতে। মৃত্যুর পর স্মরণসভাতেও ঠিক সেই সম্মান বজায় রেখেই তিনি আলাদা প্রার্থনা সভার আয়োজন করেন।
ধর্মেন্দ্র ৮ ডিসেম্বর ৯০ বছরে পা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার কয়েক সপ্তাহ আগেই প্রয়াত হন তিনি। কিংবদন্তী এই অভিনেতা রেখে গেছেন প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর ও তাদের চার সন্তান— সানি, ববি, অজেতা এবং বিজয়তা; এবং দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী ও তাদের দুই কন্যা এষা ও অহনাকে।








