আন্তর্জাতিক

উপকূলে আঘাত হানলেও দুর্বল হয়নি ঘূর্ণিঝড় ‘বেরিল’, ভয়াবহ ক্ষতির শঙ্কা

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘বেরিল’ এর প্রভাবের কারণে উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘বেরিল’ এর প্রভাবের কারণে উপকূলীয় এলাকা জলমগ্ন, রাস্তা পানিতে ডুবে গেছে।. Channel i News – চ্যানেল আই নিউজ

অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন

পূর্ব আটলান্টিক মহাসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘বেরিল’ গ্রেনাডার ক্যারিয়াকো দ্বীপে আঘাত হানার পর এটি আরও শক্তি সঞ্চয় করে ক্যাটাগরি-৫ হারিকেনে পরিণত হয়েছে। গ্রেনাডার উপকূলে আঘাত হানার পর, দেশটিতে ভয়াবহ ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল রাত ৮টা নাগাদ দক্ষিণ-পূর্ব ক্যারিবিয়ান দীপপুঞ্জজুড়ে বেরিলের প্রভাব শুরু হয়। এটি ব্যাপক শক্তি নিয়ে দ্রুত পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ঝড়টির অগ্রসরের গতি-প্রকৃতি দেখে আবহাওয়াবিদরা জ্যামাইকাকেও সতর্ক অবস্থানে থাকতে বলেছে।

বিবিসর প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেনাডার প্রধানমন্ত্রী ডিকন মিচেল জানান, দেড় ঘণ্টায় ক্যারিয়াকোকে লন্ডভন্ড করে দিয়েছে বেরিল। তিনি বলেন, বিপদ এখনও কাটেনি। গ্রেনাডায় বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিয়েছে। এর ফলে যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। মানুষ বেরিল সম্পর্কে আপডেট পাচ্ছে না বলেও জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার এনএইচসির সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, বেরিল ডোমিনিকান রিপাবলিকের প্রায় ৫৭৫ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে এবং জ্যামাইকার প্রায় ৯১০ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে কেন্দ্রীভূত ছিল। যা পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিম থেকে ২১ মাইল বেগে এগিয়ে আসছে। বর্তমানে ১৫৫ মাইল ঘণ্টা বেগে বাতাস বইছে। দিনের শুরুতে বাতাসের বেগ ছিল ১৫০ মাইল। বুধবার পর্যন্ত এই অঞ্চলে এর প্রভাব থাকতে পারে।

এতে বলা হয়, ঝড়ের গতির ওঠানামা চলবে। তাই উইন্ডওয়ার্ড দ্বীপপুঞ্জের দেশগুলোকে ঝড়ো বাতাসের কারণে সম্ভাব্য বিপর্যয়কর ক্ষয়ক্ষতির মোকাবিলায় প্রস্তুত হওয়া উচিত।

ঘূর্ণিঝড় ‌বেরিল মোকাবিলায় বার্বাডোস, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস এবং টোবাগোতেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বিষয়:আটলান্টিক মহাসাগর গ্রেনাডা বেরিল

আরও পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…