‘শুধু বাংলাদেশ নয়, গোটা পৃথিবীতেই ডিমেনশিয়া রোগের ভয়াবহতা বেড়েই চলেছে। এই রোগ সম্পর্কে পরিবারে, সমাজে ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি না হওয়ার কারণে রুগীরা প্রয়োজনীয় সেবাপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সাধারণ মানুষের মাঝে ডিমেনশিয়া সম্পর্কে যত সচেতনতা তৈরি সম্ভব হবে ততই এই রোগে আক্রান্তদের সুস্থতার হার বৃদ্ধি পাবে। একই সাথে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আক্রান্তদের জন্য উপযুক্ত ওষুধের সহজলভ্যতা বাড়াতে হবে।’
সোমবার ২০ ফেব্রুয়ারি সকালে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত এবং ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস্ লিমিটেডের সৌজন্যে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ডিমেনশিয়া নিয়ে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. ফরহাদ হোসেন।
মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মালিহা হাকিম।
মূলপ্রবন্ধে তিনি বলেন, আলঝেইমার্স রোগে আক্রান্তদের প্রাথমিকভাবে সনাক্ত করা সম্ভব হলে এবং উপযুক্ত ওষুধ দেওয়া হলে এ ধরনের রোগে আক্রান্ত রুগীর অবনতি ৬-৮ বছর ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব। দেশে এই রোগের উপযুক্ত (মোডিফাইং ড্রাগ) ওষুধ দ্রুত সহজলভ্য করতে হবে।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ২৫০ শয্যার জেলা সদর হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুপারিন্টেনডেন্ট ডা. মো. মোমিনুর রহমান, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন, কক্সবাজার শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মাহবুবুর রহমান, এবং কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আবু তাহের।
প্যানেল আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক (নিউরোলজি) ডা. মোহাম্মদ সেলিম শাহী, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ-এর সহযোগী অধ্যাপক (মেডিসিন) ডা. এ এম এম রেজাউল করিম মনছুর, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল সহযোগী অধ্যাপক (মাইক্রোবায়োলজি) ডা. মো. আব্দুল্লাহ ইউসুফ, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক (নিউরোলজি) ডা. মাহমুদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ বক্তব্য দেন ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস্ লিমিটেডের এক্সকিউটিভ ডিরেকটর আশরাফ উদ্দিন আহমেদ। এছাড়াও অনুষ্ঠানটিতে দেশ বরেণ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ উপস্থিত ছিলেন।








