পডকাস্ট সাক্ষাৎকারে ২০২৪ সালের ভারতের লোকসভা নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন মার্ক জাকারবার্গ। যা ‘ভুল’ বলে দাবি করেছিলেন দেশটির রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তবে এবার ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা তথা মেটা প্রধানকে তলব করতে চলেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।
মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিজেপি সাংসদ তথা তথ্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান নিশিকান্ত দুবে জানিয়েছেন, ভুল তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে জাকারবার্গের বিরুদ্ধে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ পোস্ট করে নিশিকান্ত দুবে লিখেছেন, ভুল তথ্য একটি গণতান্ত্রিক দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে। এই ভুলের জন্য সংস্থাটিকে সংসদ এবং এখানকার জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।
বিতর্কের সূত্রপাত হয় গত শুক্রবার। সে দিন একটি পডকাস্টে সাক্ষাৎকারের সময় ভারতের গত বছরের লোকসভা নির্বাচন নিয়ে ভুল মন্তব্য করে বসেন মেটা কর্তা জাকারবার্গ। তার মতে, কোভিড পরবর্তী সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সরকারের উপর থেকে মানুষের আস্থা সরে গিয়েছে। ২০২৪ সালে যার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।
এই সময়েই তিনি বলেন, ২০২৪ সালে ছিল বড় বড় নির্বাচনের বছর। ভারতের মতো বিভিন্ন দেশে নির্বাচন হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই বস্তুত ক্ষমতাসীন দলগুলো হেরে গিয়েছে। মুদ্রাস্ফীতির জন্যই হোক বা করোনা মোকাবিলায় আর্থিক নীতির জন্য হোক, কিংবা করোনা মোকাবিলার পদ্ধতির কারণেই হোক- বিশ্বব্যাপী একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। বিশ্বব্যাপী এর প্রভাব পড়েছে বলে অনুমান করা যায়।
জাকারবার্গের ওই মন্তব্যে ইতোমধ্যে সমাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ‘ভুল সংশোধন’ করে দিয়েছেন মন্ত্রী।
তিনি লিখেছেন, জাকারবার্গ দাবি করেছেন করোনা পরবর্তী সময়ে ভারতের ২০২৪ সালের নির্বাচনসহ বেশির ভাগ দেশে ক্ষমতাসীন সরকার হেরে গিয়েছে। এটি তথ্যগতভাবে ভুল।
মেটা কর্তার সেই ‘তত্ত্ব’ উড়িয়ে দিয়ে অশ্বিনী লেখেন, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে বিজেপি জয়ী হয়েছে। মোদীজি টানা তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রী হয়ে নজির গড়েছেন। জ়াকারবার্গের মতো ব্যক্তির এমন ভুল তথ্য দেওয়ার ঘটনা হতাশাজনক।









