শেরপুর জেলায় চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের মামলায় আসামীকে ফাঁসির রায় দেওয়া হয়েছে। দণ্ডিত আসামী ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট থানার চরগোরকপুর গ্রামের মোঃ ইসমাইল হোসেন।
আজ বুধবার (৫ জুলাই) শেরপুরের বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ তৌফিক আজিজ এ রায় দেন।
জানা যায়, আসামী ২০১৫ সালু ঈদুল আজহা উদযাপনের জন্য শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী থানাধীন কাকড়কান্দি গ্রামে তার স্ত্রীর বড় ভাই আব্দুল খালেকের বাড়িতে বেড়াতে যায়। ঈদের পরবর্তী দিন রাতে তুচ্ছ ঘটনার জেরে তার স্ত্রী বিলকিছ আক্তার’কে রান্না ঘরের সামনে ডেকে নিয়ে রান্নাঘরে থাকা দা দিয়ে উপর্যুপরি কোপাতে থাকলে আসামীর স্ত্রীর চিৎকারে তার শ্বাশুড়ি খালেদা বেগমসহ ৩-৪ জন প্রতিহত করতে আসে। তখন আসামী মোঃ ইসমাইল হোসেন তাদেরকেও দা দিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে জখম করে।
ঘটনার পর বিলকিছ আক্তার’কে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তিনি মারা যান। আসামীর শ্বাশুড়িকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে শ্বাশুড়ি খালেদা বেগমও মৃত্যুবরণ করেন।
মোহাম্মদ তৌফিক আজিজ শুনানিতে উল্লেখ করেন, আসামী ইসমাইল হোসেন এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সমর্থনে ১৯ জন সাক্ষীকে উপস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া, পোস্টমর্টেম রিপোর্ট মোতাবেক আসামীর স্ত্রী বিলকিছ আক্তার এর শরীরে ১০টি এবং আসামীর শ্বাশুড়ি খালেদা বেগম এর শরীরে ৯টি গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৩০২ ধারার অভিযোগ সাক্ষ্য প্রমাণিত হয়েছে। এবং দোষী সাব্যস্তক্রমে তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হলো।








