ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের জাতীয় উদ্যানে দুটি চিতা শাবক মারা গেছে। গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে আরও একটি শাবক। দেশটির মধ্যপ্রদেশের কুনো ন্যাশনাল পার্কে গত সেপ্টেম্বরে নামিবিয়া থেকে আনা একটি মাদী চিতা ওই শাবকগুলোর জন্ম দেয়। কম ওজনের দুর্বল শাবকগুলো পানি শূন্যতায় ভুগছিল বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২৩ মে) উদ্যানের তাপমাত্রা প্রায় ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে শাবকগুলোকে অস্বাভাবিক অবস্থায় দেখা যায়। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে নামিবিয়া থেকে ৮টি এবং ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ১২টি চিতা ভারতে আনা হয়েছিল। ১৯৫২ সালে ভারত সরকার চিতার আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তি ঘোষণার ৭০ বছরেরও বেশি সময় পর দেশটিতে প্রথম চিতা শাবকের জন্ম হয়। তবে আফ্রিকা থেকে ভারতে আনা মোট ২০টি চিতার মধ্যে ১৭টি এখন বেঁচে আছে।
ন্যাশনাল পার্ক কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, ২৩ মে চিতাশাবকের মৃত্যুর পর পর্যবেক্ষণ দল মা চিতা ও তার বাকি তিনটি শাবকের গতিবিধির ওপর নজর রেখেছিল। তিনটি শাবকের অবস্থা ভালো না দেখে চিকিৎসার জন্য উদ্ধারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর বন্যপ্রাণী চিকিৎসক দলের তত্ত্বাবধানে রাখা হয় শাবকদের।
বিশ্বের স্থলভাগের দ্রুততম প্রাণী চিতা। ১৯৫২ সালে ভারতে এই প্রাণীকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। বর্তমানে বিশ্বের ৭ হাজার চিতার অধিকাংশই আফ্রিকায় পাওয়া যায়। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও বতসোয়ানায়। আর এশীয় চিতা বর্তমানে গুরুতরভাবে বিপন্ন। কেবল ইরানে পাওয়া যায় এই চিতা। সেই সংখ্যাও খুব বেশি নয়। ইরানে মাত্র ৫০টি এশীয় চিতা রয়েছে বলে ধারণা করা হয়।










