রাজধানীতে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর পল্লবী ও কোতোয়ালি থানার সিএমএম আদালতের পাশে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন মো. আলাউদ্দিন (২৭), মো. রাসেল (১৮), এবং মো. আইউব আলী (৪৫)। আলাউদ্দিন ও রাসেল দুজনই পল্লবী এলাকায় থাকতেন। তারা দুজনই আসবাব কারখানায় মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন। মো. আইউব আলী সূত্রাপুর এলাকায় থাকতেন। তিনি রং মিস্ত্রীর কাজ করতেন।
শুক্রবার দুপুরে পল্লবীর আজিজ মার্কেটের পাশে আসবাব কারখানায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যান মো. আলাউদ্দিন ও মো. রাসেল। অচেতন অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল আজিজ বলেন, বৃষ্টির কারণে আসবাব কারখানায় পানি জমে যায়। মালপত্র রেখে পানি সরানোর সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় দুজন। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে দুজনেরই মৃত্যু হয় বলে আমরা জানতে পেরেছি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
অন্যদিকে ঢাকার আগরবাতি গলিতে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মারা যান মো. আইউব আলী। শুক্রবার রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মধ্যরাতে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আইউব আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম জানান, রাতে কাজ শেষ করে বাসায় ফেরার পথে ওই এলাকার পাশে আগরবাতি গলি এলাকায় জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে পড়ে থাকা তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তার বাবা। পরে খবর পেয়ে প্রথমে তাকে ন্যাশনাল হাসপাতাল নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে বাবার মৃত্যু হয়।
কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক রাজীব ঢালী জানান, খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগের মর্গ থেকে মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের পর মরদেহ ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়।







