রাজধানীর বঙ্গবাজারে সংগঠিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মার্কেটের হাজারো ব্যবসায়ী ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। আসন্ন ঈদ-উল ফিতরকে সামনে রেখে মার্কেটের বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ও তাদের সাথে সম্পৃক্ত উদ্যোক্তাগণ মালামাল ক্রয়ের জন্য ইতিমধ্যে অর্থলগ্নি করেছেন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তারা মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন।
এ দুর্যোগ বিবেচনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দ্রুত পুনর্বাসনের জন্য তাদেরকে আর্থিক সহায়তার আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন। এর প্রেক্ষিতে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)’র সভাপতি ব্যারিস্টার মো. সামীর সাত্তার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে এগিয়ে আসার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিবেচনার জন্য বেশ কিছু সুপারিশ করেন। যেমন-ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের গৃহীত আর্থিক ঋণের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পুনরায় চালু করতে সুদমুক্ত বা স্বল্প সুদে বিশেষ মেয়াদি ঋণ প্রদানের বিষয়টিতে নজর দেয়ার আহ্বান জানান।
ইতোমধ্যে যারা ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ধরনের মেয়াদি, ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ও ক্যাশ ক্রেডিট ঋণ গ্রহণ করেছেন তাঁদের ঋণের সুদ হার কমানোসহ বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে ঋণের ধরণের উপর ভিত্তি করে কিস্তি পরিশোধের সময়সীমা বৃদ্ধি করা। সে সময় পর্যন্ত তাঁদের ঋণ ক্লাসিফাইড হিসেবে ঘোষণা না করা এবং সরকারের বিদ্যমান বিভিন্ন পুনঃঅর্থায়ন স্কীমের আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে ঋণের আওতায় নিয়ে আসা।
ঢাকা চেম্বার সভাপতি বিশ্বাস করেন ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তাদের সহায়তার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক যদি প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করে, তাহলে উদ্যোক্তাদের দ্রুত পুনর্বাসন করা সম্ভব হবে এবং এর সাথে সম্পৃক্ত কর্মচারীগণের জীবনাযাত্রা স্বাভাবিক হবে।








