পৃথিবীতে একটি ‘বিপজ্জনক গ্রহাণু’ আঘাত হানার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। সংস্থাটি বলছে, এটি প্রতিরোধ করার জন্য পর্যাপ্তভাবে প্রস্তুত নাও হতে পারে পৃথিবী। পাশাপাশি এই আঘাতের নির্ধারিত তারিখও প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।’
রোববার (২৩ জুন) ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিপজ্জনক এই গ্রহাণু আঘাতের সম্ভাবনা ৭২ শতাংশ।
মহাকাশ সংস্থার একটি অফিসিয়াল রিপোর্ট সূত্রে বলা হয়, নাসা এপ্রিল মাসে পঞ্চম দ্বিবার্ষিক প্ল্যানেটারি ডিফেন্স ইন্টারএজেন্সি ট্যাবলেটপ এক্সারসাইজ পরিচালনা করেছিল। ২০ জুন নাসা মেরিল্যান্ডের লরেলের জনস হপকিন্স অ্যাপ্লাইড ফিজিক্স ল্যাবরেটরিতে (এপিএল) অনুষ্ঠিত অনুশীলনের সারসংক্ষেপ উন্মোচন করে।
অনুশীলনে নাসা ছাড়াও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সরকারি সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগীদের প্রায় ১০০ জন প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘অদূর ভবিষ্যতে কোনো উল্লেখযোগ্য গ্রহাণুর হুমকি না থাকলেও, সম্ভাব্য বিপজ্জনক গ্রহাণুর হুমকি কার্যকরভাবে প্রতিহত করতে বিশ্বের সক্ষমতা মূল্যায়ন করার জন্য ওই অনুশীলন করা হয়েছিল।’
অনুশীলনের সংক্ষিপ্তসারে উল্লেখ করা হয়, অনুসন্ধানের সময়, অংশগ্রহণকারীরা একটি অনুমানমূলক পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য জাতীয় এবং বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়া বিবেচনা করেছিলেন। যেখানে আগে শনাক্ত করা হয়নি এমন একটি গ্রহাণু শনাক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক গণনা অনুসারে, প্রায় ৭২ শতাংশ শঙ্কা রয়েছে যে, আগামী ১৪ বছরের মধ্যে এই গ্রহাণু পৃথিবীতে আঘাত হানতে পারে।’
প্রতিবেদন মতে, সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, ‘২০৩৮ সালের ১২ জুলাই গ্রহাণুটি পৃথিবীতে প্রভাব ফেলতে পারে।’
তবে প্রাথমিক এই পর্যবেক্ষণ থেকে ওই গ্রহাণুর আকার, গঠন এবং দীর্ঘমেয়াদী গতিপথ সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায়নি বলেও জানিয়েছে নাসা।








