কক্সবাজারের আলোচিত মোরশেদ আলী ওরফে মোরশেদ বলী হত্যা মামলার দুই আসামী আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গেলে আদালতের এজলাসে বাদী ও বিবাদীপক্ষ মারামারিতে লিপ্ত হয়। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহাজাহান নূরী বলেন, বুধবার বেলা ১১টার দিকে মোর্শেদ বলী হত্যা মামলার প্রধান আসামী আব্দুল মালেক ও ৩ নাম্বার আসামী কলিম উল্লাহ আদালতে আত্মসমর্পণ করতে আসে। চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলমগীর ফারুকীর আদালতের ভেতরেই ওই মামলার বাদী ও বিবাদীপক্ষ হাতাহাতি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে এজলাসে অরাজক পরিবেশ তৈরি হয়। পরে এঘটনার সাথে যুক্ত থাকার দায়ে তিনজনকে পুলিশ আটক করে।
তিনি আরও বলেন, আত্মসমপর্ণ করা আসামী জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
এই ঘটনায় আটকরা হলো- নিহত মোরশেদ বলীর ভাই মো. সাজ্জাদ ও মো. জাহেদ এবং একই এলাকার আরিফ উল্লাহ।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মুনিরুল গিয়াস বলেন, আটক তিনজনই নিহত মোরশেদ বলীর পরিবারের সদস্য। চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশা অনুযায়ী আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শাহাজাহান নূরী বলেন, আটকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চলছে।
গত ৭ এপ্রিল কক্সবাজার সদরের পিএমখালী এলাকার চেরাংঘাট বাজারে পিটিয়ে হত্যা করা হয় মোরশেদ আলী ওরফে মোরশেদ বলীকে। এই ঘটনায় ২৬ জনকে আসামী করে মামলা রুজু করা হয়।









