বল নিয়ন্ত্রণে লড়াইটা ছিল সমানে সমান। ফাউলের সংখ্যা নেহাত কম ছিল না, গুনে গুনে ৩৩টি। সেরা ছন্দে ছিল না ফেভারিট ব্রাজিল। এগিয়ে গিয়েও কলম্বিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্রয়ে সেলেসাওরা খেয়েছে হোঁচট। ডি-গ্রুপে রানার্সআপ হয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে শক্ত প্রতিপক্ষ উরুগুয়েকে পাচ্ছে ডোরিভাল জুনিয়রের দল।
৩ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট পেয়ে ডি-গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন কলম্বিয়া। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ পানামা। টেবিলের দুইয়ে থেকে গ্রুপপর্ব শেষ করা ব্রাজিলের পয়েন্ট ৫। প্যারাগুয়েকে ২-১ গোলে হারিয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে থেকে আসর শেষ করেছে কোস্টারিকা। তলানিতে থাকা প্যারাগুয়ের পয়েন্ট শূন্য।
ক্যালিফোর্নিয়ার লেভি’স স্টেডিয়ামে ম্যাচের সপ্তম মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তারকা ফরোয়ার্ড হামেস রদ্রিগেজকে বাজেভাবে ফাউল করেন। তিনি গ্রুপপর্বে দুই হলুদ কার্ড পাওয়ায় কোয়ার্টারে খেলতে পারবেন না।
এরপর ডি বক্সের বাইরে থেকে রদ্রিগেজের নেয়া বাঁ-পায়ের ফ্রি-কিকে বল বারে লেগে ফেরে। দশম মিনিটে ব্রুনো গুইমারায়েসের ডানপায়ের দূরপাল্লার শট প্রতিহত করেন কলম্বিয়া গোলরক্ষক কামিলো ভার্গাস।
ব্রাজিলকে অবশ্য গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। জোয়াও গোমেজকে ফাউল করে বসেন রদ্রিগেজ। বাঁ-পায়ের ফ্রি-কিকে নিশানাভেদ করেন রাফিনহা।
৩০ মিনিটে রিচার্ড রিওসের শট ঠেকান অ্যালিসন বেকার। ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক চার মিনিট পর রদ্রিগেজের নেয়া দূরহকোণের কিকও প্রতিহত করেন।
বিরতির আগে সমতায় ফেরে কলম্বিয়া। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে জন কর্ডোবার পাসে বল পাওয়া লুইস দিয়াজের শট ঠেকিয়েছিলেন অ্যালিসন। এরপর কর্ডোবা পায়ে আবারো বল গেলে ড্যানিয়েল মুনোজের দিকে বাড়ান। ডানপায়ের শটে লক্ষ্যভেদে ভুল করেননি মুনোজ।
দ্বিতীয়ার্ধে সেলেসাওদের অল্পের জন্য লিড এনে দিতে পারেননি রাফিনহা। ফাউলের শিকার হওয়ার পর ৫৯ মিনিটে দূরপাল্লার ফ্রি-কিক নেন। অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায় শট। রদ্রিগেজের অ্যাসিস্টে বল পাওয়া কর্ডোবার হেড ঠেকিয়ে ৬৯ মিনিটে ব্রাজিলকে স্বস্তি দেন অ্যালিসন। ৮৪ মিনিটে তিনি জর্জ ক্যারাস্কালের শটও ঠেকান।
খেলার অন্তিম মুহূর্তে যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটে আন্দ্রেয়াস পেরেইরার দূরপাল্লার শটের মুখে লাফিয়ে জাল অক্ষত রাখেন ভার্গাস। তাতে হতাশার ড্র নিয়ে ব্রাজিলকে মাঠ ছাড়তে হয়।







