রেফারির শেষ বাঁশির অপেক্ষা তখন। এক গোলে এগিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে যাওয়ার প্রহর গুনছিল। অন্তিম মুহূর্তের গোলে সমতায় ফিরে ম্যাচ টাইব্রেকারে নিয়ে যায় ইকুয়েডর। লিওনেল মেসি লক্ষ্যভেদে ব্যর্থ হলেও ৪-২ ব্যবধানে জিতে কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছে আর্জেন্টিনা। পোস্টের সামনে দুই শট ঠেকিয়ে আবারো আলবিসেলেস্তেদের ত্রাণকর্তা এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
টাইব্রেকারে প্রথম শট নিতে আসেন মেসি। আর্জেন্টাইন মহাতারকার কিক পোস্টের উপরের বারে লেগে বাইরে যায়। এরপর অ্যাঞ্জেল মেনার শট ঠেকান মার্টিনেজ। জুলিয়ান আলভারেজ জালের দেখা পেলে আর্জেন্টিনার ডেরায় ফেরে স্বস্তি। তারপর অ্যালেন মিন্ডার শট আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক প্রতিহত করলে কোপার বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা ম্যাচের লাগাম নেয়।
আকাশী-নীলদের হয়ে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও গঞ্জালো মন্টিয়েল বল জালে জড়ান। ইকুয়েডরের হয়ে জন ইয়েবোহ গোল এবং জর্ডি ক্যাসেদো বল জালে জড়াতে সক্ষম হন। শেষ শটে নিকোলাস ওটামেন্ডি নিশানাভেদে সক্ষম হলে আর্জেন্টিনা সেমির টিকিট কাটে।
আগে এনআরজি স্টেডিয়ামে শুক্রবার সকালে ম্যাচের ৩৫ মিনিটে লিড পায় আর্জেন্টিনা। মেসির কর্নার কিকে উড়ে আসা বলে হেড নেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। এরপর বলে মাথা ছুঁইয়ে নিশানাভেদ করেন লিসান্দ্রো মার্টিনেজ।
বিরতির পর ডি-বক্সের ভেতর রদ্রিগো ডি পলের হাতে বল লাগলে পেনাল্টি পায় ইকুয়েডর। এনার ভ্যালেন্সিয়ার স্পট কিক বারে লেগে ফিরলে সমতায় ফেরা হয়নি তাদের। চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরা লিওনেল মেসির শট ৬৭ মিনিটে প্রতিহত করেন গোলরক্ষক অ্যালেক্সান্ডার ডমিনগুয়েজ।
যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে জন ইয়েবোহর ক্রসে কেভিন রদ্রিগেজ হেডে গোল করে ইকুয়েডরকে সমতায় ফেরান। ভিএআর পরীক্ষার পর রেফারি গোলের সংকেত দেন। ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ায়, তাতে শেষ হাসিটা আর্জেন্টিনা হেসেছে।







