এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোতে ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য শক্তি তিনগুণ বাড়ানোর জন্য জোরালো বিনিয়োগ ও নীতি সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, সাউথের দেশগুলো পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিতে উত্তরের দেশগুলোর থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে রয়েছে। এই বৈষম্য সীমিত আর্থিক সংস্থান, প্রযুক্তিগত বাধা এবং দুর্বল নীতি কাঠামোসহ বিভিন্ন কারণ থেকে উদ্ভূত।
মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর আজারবাইজানের বাকুতে জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনের সাইড ইভেন্টে এই আহ্বান জানানো হয়। এসময় বক্তারা একটি ন্যায্য, সবুজ এবং টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে গ্লোবাল সাউথের নবায়নযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ ২০৩০ সালের মধ্যে তিনগুণ বাড়ানোর আহ্বানও জানান।
“জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন ইন দ্য গ্লোবাল সাউথ: চ্যালেঞ্জস ফর রিনিউয়েবল এনার্জি ২০৩০” শীর্ষক এই অধিবেশনটি যৌথভাবে আয়োজন করে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ, জেটনেট-বিডি, ক্লিন এবং সাউথ এশিয়া জাস্ট ট্রানজিশন অ্যালায়েন্স। অনুষ্ঠানে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর মধ্যে শক্তি বৈষম্য, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা এবং সীমিত আর্থিক সংস্থান মোকাবিলায় কার্যকর সমাধানের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবিরের সঞ্চালনায়, অধিবেশনে মূল বক্তব্য রাখেন আবুল কালাম আজাদ। তিনি নবায়নযোগ্য শক্তিতে রূপান্তরের চ্যালেঞ্জ এবং বৈশ্বিক উত্তরের সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বিশেষজ্ঞরা গ্লোবাল সাউথের নবায়নযোগ্য শক্তি রূপান্তরের ক্ষেত্রে সীমিত অর্থায়ন, দুর্বল নীতি কাঠামো এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করেন। ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্কের তথ্য অনুযায়ী, নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার এ অঞ্চলের বৈষম্য হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ফ্রেন্ডস অফ দ্য আর্থ ইন্টারন্যাশনালের চেয়ার হেমন্ত উইথানেজ বলেন, গ্লোবাল সাউথে নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার নিশ্চিত করতে আর্থিক সহায়তা ও প্রযুক্তি বিনিময়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, দক্ষিণ এবং উত্তরের মধ্যে ভারসাম্য অর্জনের জন্য পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।
ভারতের প্রতিনিধিত্বকারী বিদ্যা ডিঙ্কার ভারতের নীতিগত দ্বৈততা তুলে ধরে বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভরতা হ্রাসের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসারে সুনির্দিষ্ট নীতি প্রয়োজন। নেপালের প্রকৃতি রিসোর্স সেন্টারের প্রোগ্রাম ডিরেক্টর প্রবিন মান সিং জ্বালানি পরিবর্তনে মানবাধিকার এবং ন্যায়সঙ্গততার গুরুত্ব তুলে ধরেন। ক্লিন বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক হাসান মেহেদী আলোচনায় মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করেন।







