এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে বসছে ২৩তম কমনওয়েলথ গেমসের আসর। বাংলাদেশ চারটি ইভেন্টে অংশ নেবে। তবে অংশগ্রহণের প্রধান উদ্দেশ্যে কমনওয়েলথের সদস্যপদ টিকিয়ে রাখা, নেই পদক জয়ের সুস্পষ্ট কোন আশা। মঙ্গলবার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন বিওএ মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান রানা।
২৩তম কমনওয়েলথ গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং খেলোয়াড়দের উৎসাহ প্রদানের জন্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী গ্লাসগোতে যেতে সম্মতি দিয়েছেন, বিওএ’র সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে। ২৩ জুলাই আসর শুরু হয়ে চলবে ২ আগস্ট পর্যন্ত।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হল, এবারের আসরে বাংলাদেশ থেকে ১৫ খেলোয়াড় চারটি ইভেন্টে অংশ নেবেন। সাথে কোচ, ম্যানেজার, টিম অফিসিয়ালসহ ৭ জন যুক্ত হয়ে মোট ২২ জনে দাঁড়াবে সংখ্যা। এছাড়াও বিওএ’র মহাসচিব, জেনারেল টিম ম্যানেজার, টিম অ্যাটাবে এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৫ জনে। তাদের মধ্যে প্রশাসনিক পর্যায়ের অনেকেই ব্যক্তিগত খরচে যাবেন বলে জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন মহাসচিব জোবায়েদুর বললেন, ‘আমাদের এবারের অংশগ্রহণ মূলত টোকেন পার্টিসিপেশন। এখানে অংশগ্রহণ না করলে আমাদের সদস্যপদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ পদ আবারও ফিরে পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে যাবে।’
‘আমাদের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী একজন খেলোয়াড়। তিনি বোঝেন খেলোয়াড়দের কী কী প্রয়োজন, কী করলে খেলোয়াড়েরা আরও ভালো করতে পারবে। তার কাছে কোনকিছু চেয়ে পাওয়া যায় না এমন উদাহরণ নেই। তিনি অনেক সময় খরচের কথা চিন্তা না করে খেলোয়াড়দের ভালো পারফরম্যান্সের জন্য সুযোগ-সুবিধা বাড়াচ্ছেন। তবে আমাদের কাঠামোগত বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। দলের কাছে পদক আশা করতে হলে কাঠামোগত সুবিধা বাড়াতে হবে। আপনারা সাংবাদিক ভাইয়েরা এ বিষয়ে আরও জোরালভাবে লিখবেন বলে আশা করছি।’
দলের কাছে পদক জয়ের প্রত্যাশা কেমন এমন প্রশ্নে অ্যাথলেটিকস কোচ ফরিদ খান চৌধুরী জানালেন, ‘কমনওয়েলথ গেমসে খেলোয়াড় নির্বাচনের জন্য জাতীয় পর্যায়ের ফলাফলের উপর ভরসা রেখেছি আমরা। খেলোয়াড়দের বলে দেয়া আছে, জাতীয় পর্যায়ে তারা যে রেকর্ডটি করে এখানে এসেছিল অন্তত সেটা যেন ধরে রাখতে পারে।’







