চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদী সংলগ্ন বাজারের বর্জ্যে বেহাল দশা দু’পাড়ের মানুষের। দূষণে ঘটছে মারাত্মক স্বাস্থ্যহানি। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবশ ও জীববৈচিত্র্য। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগের পরেও সমস্যা সমাধানে কোনো উদ্যোগই নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন।
জানা যায়, ১৯৮২ সালে চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারের মাথাভাঙ্গা নদীর তীরে প্রতিষ্ঠা করা হয় বাজার। কিন্তু অপরিকল্পিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কারণে শহর ও বাজারের ময়লা পানি এবং বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে মাথাভাঙ্গা নদী। বাজারে পর্যাপ্ত পানি ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ক্রেতা-ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলছে, আশপাশের এলাকার বিশেষ করে বাজারের সমস্ত বর্জ্য নদীতে ফেলায় নদীর পানি পঁচে গিয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। নদীর পানি কোন কাজে লাগছেনা। পঁচা পানির কারণে ছড়াচ্ছে নানা ধরনের পানি বাহিত রোগ। এখানে বসবাস করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে উঠেছে।
নদীতে বর্জ্য ফেলার কারণে মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি যেমন বাড়ছে, তেমনি হুমকিতে পড়ছে জীববৈচিত্র্য।
চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাৎ হাসান বলেন, নদীতে ভালো পানি না আসা পর্যন্ত মানুষকে নদীর পানি শরীরে না লাগাতে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম ভূইয়া বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে কাজ করা হচ্ছে। সরকার থেকে পাঁচ কোটি টাকা বাজেট দেওয়া হয়েছে। দ্রুতই নদীর পানি থেকে বর্জ্য নিষ্কাশনে কাজ শুরু হবে বলে আশা করেন তিনি।
শিগগিরই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নতির পাশাপাশি পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।







