টাইমস ইমপ্যাক্ট রাঙ্কিং-এ টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সেরাদের তালিকায় জায়গা করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষমাত্রা অর্জনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকাণ্ড, গবেষণা, উদ্ভাবন ও সফলতার ভিত্তিতে টাইমস এবং কিউএস প্রতিবছর প্রকাশ করে দুটি আন্তর্জাতিক রাঙ্কিং।
বুধবার ১২ জুন প্রকাশিত হয়েছে ২০২৪ সালের টাইমস হায়ার এডুকেশন আন্তজার্তিক বিশ্ববিদ্যালয় ইমপ্যাক্ট রাঙ্কিং। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বনবিদ্যা ও পরিবেশবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ এবং মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের গবেষণা ও কর্মকাণ্ড এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ছিল।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এ প্রাপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আবু তাহের বলেন, এ অর্জনে অবদান রাখতে পারে আমি আনন্দিত। ২০২০-২০২৪ সালে আমি মোট ৭১ টি গবেষণা প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক কিউ১ জার্নালে প্রকাশ করেছি। উপযুক্ত গবেষণা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্ব র্র্যাংকিং পেতে সাহায্য করেছে। এসব গবেষণা সম্পাদন ও প্রকাশে মোট চার কোটি টাকার অধিক খরচ হয়েছে যা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উৎস থেকে প্রদান করা হয়। এটা চলমান থাকবে।
সমুদ্র সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের শীর্ষ ৪০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি। পরিবেশ রক্ষায়ছা সহায়তাকারী শীর্ষ ৫০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। তারা গাছ লাগানো, দূষণ কমানো এবং পৃথিবীকে কীভাবে পরিষ্কার রাখা যায় সে বিষয়ে গবেষণা করার মতো কাজ করেছে। বনবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা, ভূগোল এবং পরিবেশ বিজ্ঞানের মতো বিভাগগুলি এই প্রচেষ্টাগুলোর একটি বড় অংশ হয়েছে।
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গবেষণা ও কর্মকাণ্ডের জন্য এসডিজি-৩ এ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৮০১-১০০০ এর মধ্যে রয়েছে। এছাড়া রোগ নিয়ে গবেষণা (ডায়বেটিস, ক্যান্সার, জেনেটিক রোগ, অটিজম), সংক্রামক ব্যাধি (কভিড, ডেঙ্গু, নিউমোনিয়া), এন্টিবায়োটিক অকার্যকারিতা, মাতৃ স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা ও অভিবাসীদের স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য অর্থনীতি নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ, প্রাণরসায়ন, মাইক্রোবায়োলজী ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের কর্মকাণ্ড এ ক্ষেত্রে সমাদৃত হয়েছে।
বৈষম্য হ্রাসে অবদানে জন্য এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান এসডিজি-১০ এ সেরা ৮০০-১০০০ এর মধ্যে রয়েছে। নারী পুরুষ শিক্ষার্থীদের সুষম অনুপাত, নারী শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান ও স্বীকৃতি, নারী শিক্ষকদের গবেষণায় বিশেষ ভূমিকা, শারীরিক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ভবন নকশা, দারিদ্র্য হ্রাসে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে র্যাংকিংয়ে অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।








