ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে শুরুতে চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। দুই ওপেনারকে দ্রুত হারানোর পর হাল ধরেছিলেন মুশফিক ও শান্ত। ৯৮ রানের ধীরগতির জুটি গড়ে রানআউট হয়েছেন শান্ত। দেড়শো রান পার করে ফেরেন মুশফিক। একটা স্বস্তির জুটির পর রান বাড়ানোর যখন সময়, সাজঘরে ফিরে গেছেন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ১৭ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ইনিংস মেরামতের কাজ করেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। বিপর্যয় সামলে ফেরেন দুজনেই।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৬ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৭০ রান। সাকিব ৩০ বলে ২৪ রান ও আফিফ ৪ বলে ১ রানে ব্যাট করছেন।
বাংলাদেশের দুই ওপেনারকেই আউট করেছেন স্যাম কারেন। বাঁহাতি পেসার প্রথম ওভারে ফেরান লিটনকে (০)। রানের খাতা খোলার আগেই তিনি অফস্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা দিলে ক্যাচ যায় ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলারের গ্লাভসে।
ইনিংসের তৃতীয় ওভারের শেষ বলে ফেরেন আরেক ওপেনার তামিম। ৬ বলে একটি চারের সাহায্যে করেন ১১ রান। টাইগার অধিনায়ক যখন আউট হন, দল তখন ১৭ রানে।
এরপর টেস্ট মেজাজে ব্যাট করে বিপর্যয় কাটিয়ে তোলেন শান্ত ও মুশফিক। ৯৮ রানের জুটি গড়েন। ২৪.৩ ওভারে ৭১ বলে ৫৩ রান করে রানআউট হন শান্ত। পরে সাকিবকে নিয়ে দেড়শো রান পার করেন মুশফিক। ৩২.৪ ওভারে বোল্ড হন ৯৩ বলে ৭০ করে।
মুশফিক ফেরার পর ব্যাটিংয়ে আসেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। আদিল রশিদকে ৬ মেরে আশা জাগান। পরের বলেই বোল্ড হয়ে ফেরেন। ৯ বলে ৮ রান করে যান রিয়াদ।







