মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ঝড়ে দুই শতাধিক রানের সংগ্রহ গড়েছিল খুলনা টাইগার্স। লক্ষ্য তাড়ায় নেমে খুলনা বোলারদের শুরুর তোপে রীতিমত বিধ্বস্ত হয়েছে চিটাগং। তাদের ভরাডুবির মাঝে আলো ছড়িয়েছেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী। তার চোখ জুড়ানো ব্যাটিংয়েও অবশ্য হার এড়াতে পারেনি দলটি। তবে বড় পরাজয়ও দেখতে হয়নি চিটাগংকে। ৩৭ রানে জিতে আসর শুরু হয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের খুলনা।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিনের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় চিটাগং। ব্যাটে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ২০৩ রান তোলে খুলনা। জবাবে ১৮.৫ ওভারে ১৬৬ রানে থামে চিটাগং ইনিংস।
রানতাড়ায় নেমে চিটাগংকে ভালো শুরু এনে দিতে ব্যর্থ হন নাঈম ইসলাম। একবার জীবন পেয়েও সুযোগ হাতছাড়া করেন। ৯ বলে ১২ রান করে ফিরে যান। ৩১ রানে ফিরে যান পারভেজ হোসেন ইমন। ৮ বলে ১৩ রান করে। ৪৪ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় চিটাগং। মোহাম্মদ মিঠুন ফিরে যান ৭ বলে ৬ রানে। ৫৬ রানে তিন ব্যাটার হারায় দলটি। উসমান ১৫ বলে ১৮ রান করে ফেরার পর দাঁড়াতে পারেননি হায়দার আলি ও থমাস ও’কনেল।
শামীম একপ্রান্ত আগলে রাখলেও ৭৫ রানের মধ্যে ৮ উইকেট হারায় চিটাগং। নবম উইকেটে আলিস আল ইসলামকে নিয়ে তিনি ৪৭ বলে ৭৭ রানের জুটি গড়েন। ২৩ বলে ৫০-এ পৌঁছান জাতীয় দল তারকা। থামেন ৭৮ রানে। ৩৮ বলের ইনিংসে ছিল সাতটি চার ও পাঁচটি ছক্কার মার। শামীম ফেরার পরপর গুটিয়ে যায় চিটাগং ইনিংস।
খুলনার হয়ে আবু হায়দার রনি ৪ উইকেট নেন। মোহাম্মদ নওয়াজ নেন দুটি উইকেট।
এর আগে খুলনাকে ভালো শুরু এনে দেন নাঈম শেখ। ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। একটি চার ও তিন ছক্কায় ১৭ বলে ২৬ রান করে ফিরে যান। একপ্রান্ত আগলে রেখে এগোতে থাকেন আরেক ওপেনার উইলিয়াম বোসিস্তো। মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে ৫১ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ৮৮ রানে ফিরে যান মিরাজ। ১৮ বলে ১৮ রান করে। এরপর দ্রুত ফিরে যান ইব্রাহিম জাদরান (৬) ও আফিফ হোসেন (৮)।
১৪.২ ওভারে ১১৭ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর ক্রিজে আসেন অঙ্কন। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ১৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। খুলনাকে দুইশো রানে পৌঁছে ইনিংস শেষ করেন। এক চার ও ছয়টি ছক্কায় ২২ বলে ৫৯ রান করে অঙ্কন, আট চার ও তিন ছক্কায় ৫০ বলে ৭৫ রানে অপরাজিত থাকেন বোসিস্তো।
চিটাগংয়ের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন আলিস আল ইসলাম ও খালেদ আহমেদ।








