কয়েক সপ্তাহের আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে দাবি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা জরুরী। এছাড়া ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বলেছে, একাদশের ভর্তি কার্যক্রম এবং স্থগিত হওয়া এইচএসসি পরীক্ষা শেষ করাটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
বুধবার ২৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, সব সময় কোলাহল আর ছুটে চলা তারুণ্যের ক্যাম্পাস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যেন একেবারেই চুপাচাপ। নিস্তব্ধ হয়ে পড়েছে চারপাশের পরিবেশ। হলগুলোতে নেই কোন শিক্ষার্থী, এই যেন ভিন্ন এক পরিবেশ।
কিছু কিছু শিক্ষার্থী হলে প্রবেশের চেষ্টা করলেও তাদের ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না বলে জানান তারা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় বইপত্র নিতে এসেছিলেন কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তাকে হলে ঢুকতে দেয়নি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মজিবুর রহমান বলেন, আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্ষতি হয়ে গেছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (ঢাকা) চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালুর সিদ্ধান্ত এখন আর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের হাতে নেই, কেন্দ্রীয়ভাবে আসতে হবে এই সিদ্ধান্ত।
তিনি বলেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার নতুন সময় সূচি নির্ধারণ, একাদশে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করা এবং স্থগিত থাকা এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে বেশ বিপাকে আছে শিক্ষা বোর্ডগুলো।







