আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মূল লড়াইয়ে নামার আগে প্রস্তুতিটা ভালো হল না বাংলাদেশের। নিজেদের একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচে পাকিস্তান শাহিনসের বিপক্ষে বড় পরাজয় দেখেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর বল হাতেও সুবিধা করতে পারেনি টিম টাইগার্স। মোহাম্মদ হারিস ও মুবাস্সির খানের ফিফটিতে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান শাহিনস।
দুবাই ক্রিকেটে স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। ৩৮.২ ওভার ব্যাট করে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২০২ রানে থামে টিম টাইগার্স। জবাবে নেমে ৩৪.৫ ওভারে জয়ের বন্দরে নোঙর করে পাকিস্তান শাহিনস।
পাকিস্তান শাহিনসকে রানতাড়ায় পাঠিয়ে ২৯ রানে প্রথম উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। শাহিবজাদা ফারহানকে ফেরান নাহিদ রানা। ফারহান ২৩ রান করেন। ৩৭ রানে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় শিকার এনে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১ রান করে ফিরে যান ওমাইর বিন ইউসুফ।
বাংলাদেশ তৃতীয় সাফল্যের দেখা পায় ৬৯ রানে। তানজিম সাকিব ফেরান আজান আউয়াসকে। এরপর মুবাস্সির খানকে নিয়ে হাল ধরেন মোহাম্মদ হারিস। ৭৬ রান করে হারিয়ে রিটায়ার্ড করেন। পরে আব্দুল সামাদকে নিয়ে শাহিনসের জয় নিশ্চিত করেন মুবাস্সির। ৬৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন এই ব্যাটার। সামাদ ১ রান করেন।
বাংলাদেশের হয়ে নাহিদ রানা, তানজিম সাকিব ও মেহেদী হাসান মিরাজ একটি করে উইকেট নেন।
এর আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেয়ার মিশনে শুরুটা ভালোই পেয়েছিল টিম টাইগার্স। ভালো শুরু এনে দেন সৌম্য সরকার। যদিও দ্রুতই ফিরে যান ওপেনার তানজিদ তামিম (৩ বলে ৬ রান) ও নাজমুল হোসেন শান্ত ( ২১ বলে ১২)। প্রথম ১০ ওভারে ২ উইকেটে ৬০ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। এর পরপরই ফিরে যান সৌম্য সরকার। ৩৮ বলে ৩৫ রান করে রানআউট হয়ে ফেরেন টাইগার ওপেনার।
পরে ভালোভাবেই সামলাচ্ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাওহীদ হৃদয়। ২০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ১০৪ রান। এরপরই ধস নামে। পরের ১০ ওভারে আরও চার ব্যাটারকে হারায় টিম টাইগার্স। হৃদয় ফেরেন ৩৩ বলে ২০ রান করে, মিরাজ ৪৪ রান করেন ৫৩ বলে, মুশফিকুর রহিম ১৪ বলে ৭ রান এবং জাকের আলি অনিক ৫ বলে ৪ রান করে ফিরে যান।
রিশাদ হোসেনও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। ১৫ বলে ১৪ রান করে ফিরে যান। পরে তানজিম সাকিব ও নাসুমের ব্যাটে দুইশ রান পার করে বাংলাদেশ। ২৭ বলে ৩০ রান করেন তানজিম, নাসুম করেন ১৬ বলে ১৫ রান। এছাড়া তাসকিন ৭ বলে ৪ রান করেন।
পাকিস্তান শাহিনসের হয়ে উসামা মীর চার উইকেট নেন। মুসা খান নেন দুই উইকেট।







