‘আমি এসব বিচার করি না। অতীতে এই ধরনের প্রতিপক্ষকে আমরা পেয়েছি। কিছু দল বেশি খোলামেলা আগ্রাসী হয়ে খেলে, কিছু দল নিচে রক্ষণাত্মক খেলে। তারা জানে এটা মাঠে এসে করাটা কঠিন এবং তারা সেই চেষ্টাই করেছে। ডি বক্সের কিনারায় এবং বাইরে থেকে আমরা প্রচুর শট নিলেও লক্ষ্য অর্জন করতে পারিনি। রিয়াল মাদ্রিদ শেষ পর্যন্ত পেরেছে।’
রক্ষণাত্মক কৌশলে ফুটবল খেলে টাইব্রেকারে ম্যানচেষ্টার সিটিকে হারিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের সেমিফাইনালে যাওয়া নিয়ে এ কথাগুলোই বলেন পেপ গার্দিওলা। একের পর এক আক্রমণ গড়লেও ম্যানচেস্টার সিটির সুযোগ কাজে লাগাতে না পারাকেই পরাজয়ের কারণ হিসেবে দেখছেন ম্যানসিটির কোচ।
৬৭ শতাংশের বেশি সময় বলের নিয়ন্ত্রণ রাখা সিটি পোস্ট বরাবর ৩৩টি শট নিয়েছিল। যদিও কেভিন ডি ব্রুইনে ছাড়া কেউ লক্ষ্যভেদে সক্ষম হননি। আটটির বেশি শট নিতে না পারলেও রিয়াল ঠিকই একবার জালে বল জড়ায়। প্রথমার্ধে আর্লিং হালান্ডের হেড ক্রসবারে লেগে না ফিরলে ম্যাচের ফল ভিন্ন হতে পারতো।
গার্দিওলা বলেন, ‘আমি জিততে পছন্দ করতাম। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদকে অভিনন্দন। আমরা সবকিছুই করেছি। যতটা করেছি, সেজন্য আমার কোনো অনুশোচনা নেই। আমরা ব্যতিক্রমী ফুটবল খেলেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আমরা জিততে পারিনি, এমনটাই হয়।’
‘খেলোয়াড়দের যেভাবে খেলেছে, তার জন্য আমি তাদের হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। কিন্তু ফুটবল মানেই জেতা এবং আমরা তা পাইনি। তবুও আমরা যথেষ্ট পরিমাণ ব্যতিক্রমী ছিলাম।’
ম্যাচ শেষে রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তি বলেছিলেন, ‘পেনাল্টি শুটআউটে আমরা নিশ্চিত ছিলাম যে সেমিফাইনালে আমরা যেতে পারবো।’ গার্দিওলার কন্ঠে অবশ্য ভিন্ন সুর। স্পেনিয়ার্ড এ কোচের ভাষ্য, ‘কখনো কখনো আপনি পেনাল্টি শুটআউটে জিততে পারেন, কখনো আবার পারেন না। কিন্তু খেলায় আমরা যে সুযোগ পেয়েছিলাম, তা কাজে লাগাতে পারিনি।’
কোয়ার্টার ফাইনালেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সিটির যাত্রা শেষ হওয়ায় ক্লাবটির চলতি মৌসুমে আর ট্রেবল জেতা হচ্ছে না। তবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ও এফএ কাপ জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ম্যানসিটি। আগামী শনিবার এফএ কাপের সেমিফাইনালে ইংলিশ জায়ান্টদের প্রতিপক্ষ চেলসি।







