সাবেক-বর্তমান অধিনায়কদের আয়োজন করে সম্মানিত করলেন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। দায়িত্ব নেয়ার ৯ দিনের মাথায় অধিনায়কদের জন্য নিয়ে এলেন ‘ক্যাপ্টেনস কার্ড’। এই আয়োজনে পুরুষ এবং নারী ক্রিকেটের সকল অধিনায়কদের বিশেষ কিছু সুবিধাসম্পন্ন একটি কার্ড প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় ক্যাপ্টেনস কার্ড প্রদানের আয়োজনটি। এতে নারী এবং পুরুষ ক্রিকেট মিলিয়ে মোট ৩৩ অধিনায়ককে ক্যাপ্টেন’স কার্ড প্রদান করে সম্মানিত করা হয়। যার মধ্যে ২৭ জন পুরুষ দলের এবং ৬ জন নারী দলের। বেশিরভাগ অধিনায়করাই উপস্থিত থেকে নিজেদের কার্ড সংগ্রহ করেন।
তবে সাকিব আল হাসান, মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা, নাঈমুর রহমান দুর্জয়, খালেদ মাসুদ পাইলট, ফারুক আহমেদ এবং আমিনুল ইসলাম বুলবুল অনুপস্থিত ছিলেন। মেয়েদের মধ্যে কেবল রুমানা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। অনুপস্থিত থাকলেও সবার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি তামিম। অনুপস্থিত অধিনায়কদের নিজেদের স্বাচ্ছন্দ্যমতো সময়ে কার্ড সংগ্রহ করতে অনুরোধ করেন তামিম।
এছাড়া বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক শামীম কবির মৃত হওয়ার কার্ডটি তুলে দেয়া হবে তার পরিবারের হাতে।
ক্যাপ্টেনস কার্ডের মাধ্যমে যে সুবিধাগুলো পাবেন সাবেক-বর্তমান অধিনায়করা:
১. ক্যাপ্টেন’স কার্ডটি একজন অধিনায়ক আজীবন আইসিসি ইভেন্ট, এসিসি ইভেন্ট, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ এবং বিপিএল থেকে শুরু করে যেকোনো ক্রিকেটীয় আয়োজনে স্টেডিয়াম পাস হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।
২. এই কার্ডের মাধ্যমে অধিনায়করা হেলথ ইনস্যুরেন্সের সুবিধা পাবেন। এছাড়া যেকোনো ধরনের অসুস্থতায় বিসিবির মেডিকেল দল তাদের সাহায্য করবে। তাদের ডাক্তারের অ্যাপোয়েন্টমেন্ট থেকে শুরু করে সবকিছুর ব্যবস্থা করবে বিসিবি।৩. স্টেডিয়ামে গাড়ি পার্কিংয়ের ক্ষেত্রে ভিআইপিরা যে সুবিধা পান সেই সুবিধা পাবেন অধিনায়করা।
ক্যাপ্টেনস কার্ড পেয়েছেন যারা-
পুরুষ দল: শামীম কবির (১৯৭৭), এ. এস. এম. রকিবুল হাসান (১৯৭৯), মোহাম্মদ শফিক-উল-হক (১৯৮২), গাজী আশরাফ হোসেন লিপু (১৯৮৬), মিনহাজুল আবেদীন নান্নু (১৯৯০), ফারুক আহমেদ (১৯৯৪), মো. আকরাম খান (১৯৯৫), মো. আমিনুল ইসলাম (১৯৯৮), এ এম নাইমুর রহমান দুর্জয় (২০০০), মো. খালেদ মাসুদ পাইলট (২০০১), খালেদ মাহমুদ সুজন (২০০৩), কাজী হাবিবুল বাশার সুমন (২০০৪), খন্দকার মো. রাজিন সালেহ আলম (২০০৪), শাহরিয়ার নাফিস আহমেদ (২০০৬), মোহাম্মদ আশরাফুল (২০০৭), মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা (২০০৯), সাকিব আল হাসান (২০০৯), মুশফিকুর রহিম (২০১১), তামিম ইকবাল খান (২০১৭), মো. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (২০১৮), মুমিনুল হক সৌরভ (২০১৯), লিটন কুমার দাস (২০২১), কাজী নুরুল হাসান সোহান (২০২২), মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত (২০২২), নাজমুল হোসেন শান্ত (২০২৩), মো. মেহেদী হাসান মিরাজ (২০২৪), জাকের আলী অনিক (২০২৫)।
নারী দল: তাজকিয়া আক্তার (২০০৭), সালমা খাতুন (২০১১), জাহানারা আলম (২০১৪), রুমানা আহমেদ (২০১৬), নিগার সুলতানা জ্যোতি (২০২১), ফাহিমা খাতুন (২০২১)।







