প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষকের জন্য সুখবর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। সরকার ঘোষিত কৃষি প্যাকেজ পাচ্ছে দেশের এক কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের পরিবার। কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির সুরক্ষায় সরকার এ প্যাকেজ ঘোষণা করছে।
বৃহস্পতিবার ৯ জুন জাতীয় সংসদে ‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন’এ শিরোনামকে সামনে রেখে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার জাতীয় বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সরকার ঘোষিত কৃষি প্যাকেজ পাচ্ছে দেশের এক কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের পরিবার। কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির সুরক্ষায় সরকার এ প্যাকেজ ঘোষণা করছে। এ প্যাকেজ বাস্তবায়নের ফলে খাদ্য উৎপাদন ও কৃষি পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক থেকেছে এবং সচল হয়েছে গ্রামীণ অর্থনীতি। এ ছাড়া কৃষকের ঋণ প্রাপ্তি সহজ করার লক্ষ্যে আট হাজার কোটি টাকার কৃষি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করা হয়েছে। এ থেকে সুবিধা পেয়েছে তিন লাখ ১৪ হাজার কৃষি ফার্ম।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার নিম্ন-আয়ের পেশাজীবী কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য তিন হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করেছে। এ থেকে সুবিধা ভোগ করেছে পাঁচ লাখ ৩৪ হাজার নিম্ন-আয়ের পেশাজীবী কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। গ্রামীণ অর্থনীতিকে কর্মসৃজনের মাধ্যমে চাঙ্গা করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরকারের ঋণদান প্যাকেজের উপকারভোগী হলো লাখ লাখ গ্রামীণ জনগণ এবং এর ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি পুরোপুরি সচল রয়েছে।
তিনি বলেন, কৃষিতে বিনিয়োগের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রতিবছরই কৃষি ও পল্লীঋণ নীতি ও কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ৩০.৫৫ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিকে প্রায় ২৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লীঋণ প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া করোনা মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় কৃষি ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৪ শতাংশ করেছি। রেয়াতি সুদে ১৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা কৃষিঋণ প্রদানের জন্য তহবিলের ব্যবস্থা করেছি।







