পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল সবশেষ ২০০২ সালে বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছিল। ষষ্ঠ শিরোপার আশায় থাকা কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিল ২০২৬ বিশ্বকাপে ‘সি’ গ্রুপে খেলবে। প্রতিপক্ষ হিসেবে সেলেসাওরা পাচ্ছে গত আসরে সেমিফাইনাল খেলা মরক্কোর মতো দল। নেইমার-ভিনিসিয়াসদের কোচ কার্লো আনচেলত্তির মতে কঠিন গ্রুপেই পড়েছেন তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির জন এফ কেনেডি সেন্টারের পার্ফমিং আর্টস ইনস্টিটিউটে শুক্রবার রাতে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে হয়ে গেল ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বের ড্র অনুষ্ঠান। আগামী বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডায় হতে চলা ফুটবল মহাযজ্ঞের গ্রুপপর্বে মরক্কো, স্কটল্যান্ড, হাইতিকে গ্রুপসঙ্গী হিসেবে পেয়েছে সেলেসাওরা।
৬৬ বর্ষী ইতালিয়ান কোচ আনচেলত্তি বলেছেন, ‘গত বিশ্বকাপে মরক্কো দুর্দান্ত ফুটবল খেলেছে। স্কটল্যান্ডও শক্তিশালী দল। এই গ্রুপের ম্যাচ গুলো কঠিন হবে। আমাদের ভালো প্রস্তুতি নিতে হবে এবং গ্রুপ জয়ের চেষ্টা করতে হবে।’
১৯৯৮ সালে গ্রুপপর্বে স্কটল্যান্ড এবং মরক্কোর মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল। আসরে ফাইনাল খেললেও ফ্রান্সের কাছে ৩-০তে হেরে স্বপ্ন ভাঙে সেলেসাওদের। তবে সে আসরে মরক্কোকে ৩-০ এবং স্কটল্যান্ডকে ২-১ গোলে পরাজিত করেছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলটি।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে থামতে হয় ব্রাজিলকে। ক্রোয়েশিয়ার কাছে পেনাল্টিতে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় ভিনিসিয়াস জুনিয়রদের। তাদের গ্রুপ প্রতিপক্ষ মরক্কো ২০২২ আসরে সেমিফাইনালে গিয়ে থামে। পর্তুগালকে হারিয়ে সেমির টিকিট কাটলেও ফাইনালের দৌড়ে ফ্রান্সের কাছে হেরে আসর থেকে বিদায় নিতে হয় তাদের। পরে চতুর্থ স্থান অর্জন করে আসর শেষ করে আশরাফ হাকিমির দেশ।
ব্রাজিলের আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী স্কটল্যান্ড। সবশেষ কাতার বিশ্বকাপে খেলা হয়নি তাদের। বিশ্বকাপে এপর্যন্ত ৯ বার অংশ নেয়া দলটি কখনও রাউন্ড অব ১৬ পার হতে পারেনি। হাইতির অবশ্য বিশ্বকাপ ইতিহাস খুব বেশি সমৃদ্ধ নয়। ১৯৭৪ সালে সর্বশেষ বিশ্বমঞ্চে খেলার সুযোগ পেয়েছিল উত্তর আমেরিকার দেশটি।








