এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
একমাসের বেশি সময় চলে বিপিএলের পর্দা নেমেছে তামিম ইকবালের ফরচুন বরিশালের টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে। ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামের পর আবারও ঢাকায় হয়েছে খেলা। অন্যবারের চেয়ে সদ্যগত আসরে রান উৎসব করেছেন ব্যাটাররা। পিছিয়ে নেই বোলাররাও, দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন তারাও। পেসারদের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো, স্পিনাররাও তুলেছেন উইকেট। দেখে নেয়া যাক আসরের সেরা ১০ উইকেট সংগ্রাহক কারা।
আসরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন জাতীয় দলের পেসার দুর্বার রাজশাহীর তাসকিন আহমেদ। লিগপর্বে ১২ ম্যাচের ১২ ইনিংস খেলে বাদ পড়া দলটির তাসকিন মোট ৪৬.২ ওভার বল করে ১২.০৪ গড়ে ২৫ উইকেট শিকার করেছেন। মোট ২৭৮ বল করে ৬.৪৯ ইকোনোমিতে দিয়েছেন ৩০১ রান। সেরা ফিগার ১৯ রানে ৭ উইকেট। ইনিংসে ৫ উইকেট শিকার করেছেন একবার।
দুইয়ে আছেন ফাইনালে ওঠা ফরচুন বরিশালের পাকিস্তানি পেসার ফাহিম আশরাফ। ১১ ইনিংসে বল করেছেন ৩৯ ওভার, দিয়েছেন ২৭৮ রান। ইকোনোমি ৭.১২, উইকেট নিয়েছেন ২০টি। ১৩.৯০ গড় এবং সেরা বোলিং ফিগার ৭ রানে ৫ উইকেট। ডানহাতি পেসার মোট ২৭৮টি বল করেছেন এবং ইনিংসে ৫ উইকেট শিকার করেছেন একবার।
তিনে রংপুর রাইডার্সের পেসার আকিফ জাভেদ। বাঁহাতি পেসার ১১ ইনিংস খেলে ৪১.৩ ওভার বল করে ২০ উইকেট নিয়েছেন। ইকোনোমি ৬.৮৯ এবং গড় ১৪.৩০। ২৪৯টি বল করা আকিফ রান দিয়েছেন ২৮৬, সেরা ফিগার ৩২ রানে ৪ উইকেট। ইনিংসে ৪ উইকেট শিকার করেছেন একবার।
চারে বাংলাদেশের টেস্ট দলের মুখ ডানহাতি পেসার খালেদ আহমেদ, নিয়েছেন ২০ উইকেট। ১৪ ম্যাচ খেলা খালেদ আসরের ফাইনাল খেলছেন চিটাগাং কিংসের হয়ে, ৫০.৫ ওভার বল করেছেন। ৩০৫টি বল করা খালেদ সেরা দশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৩১ রান দিয়েছেন। তার ইকোনোমি ৮.৪৭ এবং গড় ২১.৫৫। সেরা বোলিং ফিগার ৩১ রানে ৪ উইকেট। ইনিংসে চার উইকেট পেয়েছেন একবার।
সেরা পাঁচে আরেক পাকিস্তানি, স্পিনার খুশদিল শাহ নিয়েছেন ১৭ উইকেট। রংপুর রাইডার্সের মূলত ব্যাটিং অলরাউন্ডার খুশদিল ১০ ম্যাচ খেলে বল করেছেন ৯টিতে এবং সেরা বোলিং ফিগার ১৮ রানে ৩ উইকেট। গড় ৯.৯৪ এবং ইকোনোমি ৬.০৩। ১৬৮টি বল করে দিয়েছেন ১৬৯ রান।
সেরা দশে তিন পাকিস্তানি থাকলেও পরের পাঁচজনের সবাই বাংলাদেশি। ছয়ে আছেন বাঁহাতি পেসার আবু হায়দার রনি। খুলনা টাইগার্সের ১৩ ম্যাচের মধ্যে খেলেছেন ১০ ম্যাচে। ৩৭.৩ ওভার বল করা রনি নিয়েছেন ১৭ উইকেট, দিয়েছেন ৩৬৮ রান। সেরা বোলিং ফিগার ৪৪ রানে ৪ উইকেট।
সাতে চিটাগং কিংসের পেসার শরিফুল ইসলাম। ১৪ ম্যাচ খেলে ৪৫৮ রান দিয়ে ১৭ উইকেট শিকার করেছেন। সেরা দশে থাকা বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান খরচ করেছেন। ৫ রানে ৪ উইকেট তার সেরা বোলিং ফিগার, বল করেছেন ৫০.৩ ওভার। আটে থাকা তানজিম হাসান সাকিব ৯ ম্যাচে ২৯১ রান দিয়ে নিয়েছেন ১৬ উইকেট। ৩৭ রানে ৩ উইকেট সেরা বোলিং ফিগার সিলেট স্ট্রাইকার্সের পেসারের।
নয়ে চিটাগং কিংসের স্পিনার আলিস আল ইসলাম। ১৩ ম্যাচে উইকেট পেয়েছেন ১৫ উইকেট। সেরা বোলিং ফিগার ১৭ রানে ৩ উইকেট। দশে আছেন খুলনা টাইগার্সের পেসার হাসান মাহমুদ। ১৩ ম্যাচ খেলে ১৪ উইকেট শিকার করেছেন, সেরা বোলিং ফিগার ৩৪ রানে ৩ উইকেট।








