অনেকটা একপেশেই ছিল ম্যাচটা। জয়ের পথে এগিয়ে ছিল আসরে উড়তে থাকা খুলনা টাইগার্স। সেখানে বাধা হানেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শেষ ওভারে জয়ের জন্য ফরচুন বরিশালের দরকার ছিল ১৮ । বলে এসেছিলেন দাসুন শানাকা। তবে রূপসা পাড়ের দলটিকে হতাশ করেন এই ডানহাতি মিডিয়াম পেসার। শোয়েব মালিককে সঙ্গী করে ৫ উইকেট হাতে রেখে বরিশালের জয় নিশ্চিত করেন মিরাজ।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শেষ দিনের প্রথম ম্যাচে টসে জিতে খুলনাকে ব্যাটে পাঠান বরিশাল অধিনায়ক তামিম ইকবাল। নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১৫৫ রান তোলে তারা। জবাবে ২ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে বরিশাল। আসরে ম্যাচ খেলে তৃতীয় জয় পেল বরিশাল। অন্যদিকে পাঁচ ম্যাচে প্রথম হারের স্বাদ নিল এনামুল হক বিজয়ের দল।
আগে ব্যাটে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি খুলনার। ১৬ ওভারে ৮৮ রানেই সাত ব্যাটারকে হারায় তারা। শেষের চার ওভারে ঝড় তোলেন মোহাম্মদ নাওয়াজ ও ফাহিম আশরাফ। দুই পাকিস্তানি ব্যাটারের ২৪ বলে ৬৭ রানের জুটিতে ১৫৫ রানের সংগ্রহ গড়ে খুলনা।
পাঁচটি চার ও এক ছক্কায় ১৩ বলে ৩২ রান করে আউট হন ফাহিম। আর চারটি ছক্কায় ২৩ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত ছিলেন নাওয়াজ। এছাড়া পারভেজ হোসেন ইমন ২৪ বলে ৩৩ রান করেন। বাকী ব্যাটারদের কেউ করতে পারেননি উল্লেখযোগ্য রান।
বরিশালের হয়ে তাইজুল শোয়েব মালিক নেন দুটি করে উইকেট। এছাড়া ইমরান ও আকিফ জাভেদ নেন একটি করে।
জবাবে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই আহমেদ শেহজাদের উইকেট হারায় বরিশাল। দলীয় ৩৪ রানে ফিরে যান তামিম ইকবাল। ১৮ বলে ২০ করেন টাইগার ওপেনার। ৯.১ ওভারে সৌম্যর উইকেট হারায় বরিশাল। ২৩ বলে ২৬ রান করে ফিরে যান সৌম্য।
১৩.২ ওভারে ৯০ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় কীর্তনখোলা পাড়ের দলটি। মুশফিকুর রহিম ফিরে যান ২৫ বলে ২৭ রান করে। ব্যর্থ হয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৯ বলে ৪ রান করে ফিরে যান তিনি।
পরে ঝড় তুলে বরিশালকে জয়ের বন্দরে পৌঁছান মিরাজ ও শোয়েব মালিক। তিন ছক্কা ও এক চারে ১৫ বলে ৩১ রান করেন মিরাজ। এক চার ও তিন ছক্কায় ২৫ বলে ৪১ রান করেন মালিক।
খুলনার হয়ে ফাহিম আশরাফ নেন তিন উইকেট। এছাড়া নাসুম ও নাহিদুল নেন একটি করে।








