চোখের সমস্যায় বিপিএলে রংপুরের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলেই সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। পরে সিলেট পর্বে ফিরলে ব্যাট হাতে রাখতে পারেননি অবদান। ব্যাট করতে সমস্যা হওয়ায় রংপুরের ব্যাটিং লাইনআপেও এসেছিল পরিবর্তন। তবে ঢাকা পর্বের দ্বিতীয় দফায় ফিরেছেন সাকিব বীরের বেশে। টাইগার অলরাউন্ডারের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে দুর্দান্ত ঢাকাকে ১৭৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে রংপুর রাইডার্স।
মঙ্গলবার ঢাকার আকাশ ছিল কুয়াশাচ্ছন্ন। ফ্লাডলাইটের আলোতে গড়ায় লড়াই। টসে জিতে রংপুরকে ব্যাটে আমন্ত্রণ জানান ঢাকার অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। নির্ধারিত ওভার শেষে ৪ উইকেটে ১৭৫ রানের সংগ্রহ গড়েছে নুরুল হাসান সোহানের দল।
রংপুর ঝড়ো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার রনি তালুকদার ও বাবর আজম। ৭.৪ ওভারে ৬৭ রানে জুটি ভাঙে রনি ফিরে গেলে। ছয়টি চার ও এক ছক্কায় ২৪ বলে ৩৯ রান করেন টাইগার ওপেনার। তিনে ব্যাটে আসেন সাকিব। শুরু দিকে কিছুটা স্ট্রাগল করতে হয়েছে টাইগার অলরাউন্ডারকে।
১৪তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ১৫ রানে আউট হয়ে ফিরতে পারতেন সাকিব। মিডউইকেট অঞ্চলে বাউন্ডারি লাইনের কাছে ক্যাচ তালুবন্দি করতে না পেরে সাকিবকে ছক্কা উপহার দেন গুলবাদিন নাইব। পরের বলেও একই অঞ্চল দিয়ে ছক্কা হাঁকান সাকিব।
১৫তম ওভারের প্রথম বলে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বল উড়ান স্কয়ার লেগ অঞ্চলে। এবারও ফিল্ডার ছিলেন গুলবাদিন। এ যাত্রায় অবশ্য ভুল করেননি এই আফগান। তালুবন্দি করে ফেরান বাবর আজমকে। পাঁচটি চারে ৪৩ বলে ৪৭ রান করে ফেরেন পাকিস্তান ওপেনার।
ওভারের তৃতীয় বলে স্ট্রাইকে যান সাকিব। মোসাদ্দেকের ডেলিভারি পাঠান মিডউইকেটের উপর দিয়ে। পরের বলও একইভাবে উড়িয়ে মারতে যান সাকিব। তবে এবার আর মাঠ পার করতে পারেননি। ধরা পড়েন নাইম শেখের হাতে। একটি চার ও তিনটি ছক্কায় ২০ বলে ৩৪ রান করেন সাকিব। আসরে এটাই সাকিবের সর্বোচ্চ রান।
১৬.২ ওভারে ১৩১ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় রংপুর। নামের সাথে সুবিচার না করেই ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। ৭ বলে ৩ রান করেন এই আফগান। পরে শেষ ওভারে মোহাম্মদ নবীর তিন ছক্কায় ১৭৫ রানে থামে রংপুরের ইনিংস। তিন ছক্কায় ১৬ বলে ২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন নবী, আর ১০ বলে ১৬ রানে সোহান।
ঢাকার হয়ে সৈকত নিয়েছেন দুটি, এছাড়া আরাফাত সানি ও সাব্বির হোসেন একটি করে উইকেট নেন।







