গত মাসে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের হোম সিরিজে ছিল ডিসিশন রিভিউ সিস্টেমের (ডিআরএস) ব্যবহার। তাতে ব্যবহার করা সরঞ্জামাদি পড়ে আছে বাংলাদেশেই। তবে জনবলের অভাবে ডিআরএস ছাড়াই শুক্রবার মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবম আসর।
ডিআরএস ছাড়া বর্তমান যুগের ক্রিকেট চিন্তা করা যায় না। অথচ এটির ব্যবহার ঠিকভাবে হচ্ছে না বাংলাদেশের জনপ্রিয় টি-টুয়েন্টি আসরটিতে। গতবারের মতো এবারও শেষের চার ম্যাচে শুধু থাকবে ডিআরএস। বাকি ম্যাচগুলোতে থাকবে নামকাওয়াস্তে বিকল্প পদ্ধতি এডিআরএস (অল্টারনেট ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম)।
ডিআরএস না থাকায় বাংলাদেশের ক্রিকেট আইকন সাকিব আল হাসান বিসিবির সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বুধবার। আজ বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সাংবাদিকদের প্রশ্নে একই প্রসঙ্গে বলেন, ‘ডিআরএস, বিশ্বব্যাপী একটা কোম্পানি এটি ডিল করে। ভারত সিরিজের সময় ডিআরএস ছিল আমাদের এখানে, কিন্তু ইকুইপমেন্ট আছে লোকবল নেই। কারণটা হচ্ছে আমাদের যে কোম্পানিটা সাপোর্ট দিচ্ছে ওই কোম্পানির যথেষ্ট জনবল দেয়ার মতো নেই।’
‘বাস্তবতা হল গত দুই থেকে তিন মাস আগে আমাদের প্রডাকশন টিম যারা কাজ করছে তারা যখন জানিয়েছে (ডিআরএস না পাবার ব্যাপারটি), আমরা কিন্তু আমাদের লেভেল থেকে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করেছি। এমনকি আইসিসিতেও। তাদের মাধ্যমেও চেষ্টা করা হয়েছে। কিছু কারণে অ্যারেঞ্জ হয়নি। কারণ, একই সময়ে বেশকিছু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট চলছে এবং বেশকিছু ঘরোয়া ক্রিকেটও শুরু হয়ে গেছে। এ সমস্ত কারণে ডিআরএস আমরা ম্যানেজ করতে পারিনি।’
গতবার তড়িঘড়ি করে বিপিএল আয়োজন করেছিল বিসিবি। টুর্নামেন্টজুড়ে ডিআরএস রাখতে না পারার কারণ হিসেবে সামনে আনা হয়েছিল হুট করে আয়োজনের ব্যাপারটি। কোভিড-১৯ পরিস্থিতি পরবর্তী সেসময়ে আয়োজকদের সীমাবদ্ধতা মেনেও নিয়েছিল সবাই।
এবার সূচি অনেক আগেই চূড়ান্ত হয়েছে। তারপরও কেনো ডিআরএস থাকবে না, সেটি নিয়ে বিসিবি নির্বাহীর দিকে সাংবাদিকদের একের পর এক প্রশ্ন যেতে থাকে। বারবার একই দোহাই দেন বিসিবি প্রতিনিধি। বিপিএলের সূচি চূড়ান্তের পর কোনো কোনো দেশ ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট করছে। তারা কীভাবে ডিআরএস পাচ্ছে এ প্রশ্নের যুক্তিসঙ্গত জবাবও দিতে পারেননি নিজামউদ্দিন চৌধুরী।








