সিলেটের জিন্দাবাজারে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘ইমজা’র হলরুমে কবি, গবেষক এ কে শেরামের ‘মণিপুরী লোকসংস্কৃতি’ গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার ২৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় এই আয়োজন করা হয়। প্রকাশনা সংস্থা ‘বুনন’ বইটি প্রকাশ করেছে।
গ্রন্থ প্রসঙ্গে কবি এ কে শেরাম বলেন, সংস্কৃতি যদি প্রকাণ্ড হিমশৈল হয়, তবে লোকসংস্কৃতি অনেকটা সেই হিমশৈলের পানির গভীরে লুকানো অংশের মতো। মণিপুরী নৃত্যের উজ্জ্বল অবস্থানের পাশাপাশি মণিপুরী লোকসংস্কৃতির ভাণ্ডারও খুবই সমৃদ্ধ। সেই সমৃদ্ধ মণিপুরী লোকসংস্কৃতির কিছু পরিচয় তুলে ধরার প্রয়াসেই ‘মণিপুরী লোকসংস্কৃতি’ গ্রন্থ রচনা।
তিনি বলেন, আমার এই সামান্য প্রয়াসের মাধ্যমে মণিপুরী লোকসংস্কৃতির বহুধাবিস্তৃত বর্ণবৈচিত্র্যের সকল সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্যকে উন্মোচিত করা সম্ভব নয়। আমি শুধু কিছু কিছু বর্ণ ও রূপৈশ্বর্যকে স্পর্শ করার চেষ্টা করেছি মাত্র।
‘মণিপুরী লোকসংস্কৃতি’ গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান প্রধান আলোচক ছিলেন প্রফেসর ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ। আরও আলোচনা করেন, ড. মোস্তাক আহমদ দীন, সুমন কুমার দাশ। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক আজির হাসিব।
বক্তব্যে বলা হয়, মণিপুরী- বাংলাদেশের সংখ্যা স্বল্প জাতিসত্তাসমূহের অন্যতম। সংখ্যায় খুবই কম হলেও এক উজ্জ্বল সংস্কৃতির ধারক হিসেবে মণিপুরীরা এদেশে অত্যন্ত সুপরিচিত এক জনগোষ্ঠী। মণিপুরী সংস্কৃতি বিশেষত মণিপুরী নৃত্যের খ্যাতি ও পরিচিতি আজ সর্বজনীন। তবে এই খ্যাতি প্রধানত মণিপুরী ধ্রুপদী নৃত্যের, আরও সুনির্দিষ্ট করে বললে, মণিপুরী রাসনৃত্যের। আর এর পেছনে প্রধান ভূমিকা ছিল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের।








