৬ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল কঙ্গনা রানাউত অভিনীত, পরিচালিত ও প্রযোজিত ছবি ‘ইমার্জেন্সি’। তবে মুক্তির দুই দিন আগে জানা গেল, নির্ধারিত তারিখে মুক্তি পাচ্ছে না বিতর্কিত এই ছবি। কিন্তু এত বিতর্কের মাঝেও এবার মিললো স্বস্তির খবর।
‘ইমার্জেন্সি’ সংক্রান্ত জমা হওয়া যাবতীয় নথি খতিয়ে দেখে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ছবিটিকে শংসাপত্র দেওয়া হোক, সেন্সর বোর্ডকে (সিবিএফসি) এমনটাই নির্দেশ দিল মুম্বাই হাইকোর্ট।
‘ইমার্জেন্সি’ নিয়ে ইতোমধ্যেই জবলপুর শিখ সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে সেন্সর বোর্ডকে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলেছে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। তাই এই ছবিকে সংশাপত্র দেওয়ার বিষয়ে আলাদা করে কোন নির্দেশ দেয়নি মুম্বাই হাইকোর্ট।
এর আগে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টকে সেন্সর বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছিল যে, ছবিটিকে এখনও শংসাপত্র দেওয়া হয়নি কারণ ছবিটি সিনেমাটোগ্রাফ আইন এবং অন্যান্য বিধিগুলির বিষয়ে এখনও বিচারাধীন রয়েছে। এদিন তাই ‘ইমার্জেন্সি’ নিয়ে উঠে আসা যে আপত্তিগুলো খতিয়ে দেখার কথা সেগুলিই বিবেচনা করে তারপর ১৫ সেপ্টম্বরের মধ্য ছবিটিকে ছাড়পত্র দেওয়ার কথা বলে মুম্বাই হাইকোর্ট। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ১৮ সেপ্টেম্বর ধার্য করা হয়েছে।
‘ইমার্জেন্সি’ নিয়ে মুম্বাই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ছবির সহ প্রযোজক জি এন্টারটেইনমেন্ট। তাদের তরফে পিটিশন দাখিল করে জানানো হয়, বিতর্ক তৈরি হওয়ার পর সিবিএফসি নাকি বেআইনিভাবে এবং অকারণে ছবিটির সার্টিফিকেট আটকে দিয়েছে। তাদের একজন আইনজীবী এই বিষয়ে দাবি করেছিলেন সেন্সর বোর্ড সার্টিফিকেট রেডি করে রেখেছে তবুও সেটা ইস্যু করছে না। বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) জি এন্টারটেইনমেন্টের দায়ের করার পিটিশনের ভিত্তিতেই শুনানি হল।
১৯৭৫ সালের জুন মাসে দেশে জরুরি অবস্থার ঘোষণা করেছিলেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। সেসময় একটানা ২১ মাস দেশে জরুরি অবস্থা জারি ছিল। বলা হয়, গদি বাঁচাতে গণতন্ত্রকে গলা টিপে হত্যা করেন নেহেরু কন্যা। সেই বিতর্কিত অধ্যায়কেই রুপালি পর্দায় তুলে ধরতে চায় বলিউডের ‘ঠোটকাটা’ এই অভিনেত্রী।- হিন্দুস্থান টাইমস








