একই ব্যক্তি দু্ই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না বলে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের পক্ষ থেকে যে প্রস্তাব রাখা হয়েছে, সেটির সঙ্গে একমত নয় বাংলাদেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি।
রোববার ২০ এপ্রিল জাতীয় সংসদের এলডি হলে অনুষ্ঠিত ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের বিরতিতে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।
সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের প্রস্তাব যেটা, সেটা হচ্ছে যে, নট মোর দেন দু কন্সিকিউটিভ টার্মস, অর্থ্যাৎ পরপর দুইবারের বেশি কেউ একজন প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না। তার মানে দাঁড়াচ্ছে, যদি দুইবারের পর একবার গ্যাপ (বিরতি) হয়, তার পরবর্তীকালে যদি জনগণ নির্বাচন করে সেই পার্টিকে মেজরিটি পার্টি (সংখ্যাগরিষ্টের দল) হিসেবে; সেই পার্টি যদি ডিসাইড (সিদ্ধান্ত গ্রহণ) করে, তাহলে সেই একই ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী হতেও পারেন।
তিনি আরও বলেন, কিন্তু কথা হচ্ছে, কেন ধরে নিচ্ছেন যে, সেম লিডার (একই নেতা) বা ব্যক্তি বার বার হবেন। আমরা তো এখানে অপশনটা (সুযোগ) রাখতে চাই যে, বাধ্যবাধকতা করা যাবে না।
এছাড়া সংস্কার কমিশনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি ও সংসদের মেয়াদ চার বছর করার যে প্রস্তাব রাখা হয়েছে, সেটির সঙ্গেও দ্বিমত পোষণ করেছে বিএনপি। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, রাষ্ট্রপতির মেয়াদও পাঁচ বছর, সংসদের মেয়াদও পাঁচ বছর। সব কিছুর বিষয়ে আমরা পাঁচ বছর মেয়াদের চর্চার মধ্যে থাকতে চাই।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, সংস্কার কমিশনের মৌলিক অধিকারের পরিসর বৃদ্ধির বিষয়ে আমরা ভিন্ন মতামত দিয়েছি। বিএনপির অবস্থান হলো, মৌলিক অধিকার রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হয়। এটার পরিধি বাড়ালে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ব্যয় বাড়বে। তাই আমরা অনেক বিষয় অন্তর্ভুক্ত না করে রাষ্ট্র যেটুকু বহন করতে পারবে, সেটুকুই নির্ধারণের পক্ষে জোর দিয়েছি।








