সাহিত্যের বরপুত্র ও নির্মাণের মহান কারিগর হুমায়ূন আহমেদ জন্ম শহর নেত্রকোনায় নেচে গেয়ে হুমায়ূন ভক্তরা উদযাপন করেছে লেখকের ৭৬তম জন্মদিন।
এ উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো তারুণ্য নির্ভর হিমু পাঠক আড্ডার কাঙ্খিত উৎসবের আয়োজন করে। বুধবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ১১টায় হিমু পাঠক আড্ডার উদ্যোগে তরুণরা হিমু-রূপা সেজে সতপাই অস্থায়ী কার্যালয় থেকে এই আনন্দ শোভাযাত্রা বের করে।
প্রতি বছর আয়োজনটি উদ্বোধন করেন বরেণ্য বুদ্ধিজীবী চিন্তাবিদ অধ্যাপক যতীন সরকার। তবে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় মোবাইল ফোনে অনুমতি সাপেক্ষে শোভাযাত্রার উদ্বোধন ঘোষণা করেন অধ্যাপক মতীন্দ্র চন্দ্র সরকার।
শোভাযাত্রা শেষে হিমু উৎসবের প্রথমার্ধের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির মুক্তমঞ্চে সকলকে সাথে নিয়ে কেক কাটেন জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস ও পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ।
সংগঠনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা লেখক হায়রদার জাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়। পুরো শহর প্রদক্ষিণ করে মোক্তারপাড়া শিল্পকলা একাডেমির মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন বয়সের কবি, লেখক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবি, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিরা অংশ নেন।
হিমু-রূপাদের সাথে হেঁটে যান লেখক বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার জাহান চৌধুরী, অধ্যাপক মতীন্দ্র চন্দ্র সরকার, প্রবীন সাংবাদিক শ্যামলেন্দু পাল, অধ্যাপক আনোয়ার হাসান, প্রেসক্লাবের আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব ম কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম, মো. অহিদুর রহমান, অধ্যাপক নাজমুল কবীর সরকার, কবি তানভীর জাহান চৌধুরী, শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার তমাল বোস, মৃণাল কান্তি চক্রবর্তী, প্রত্যাশা সাহিত্য গোষ্ঠীর এস এম মুসাসহ অনেকেই।
শোভাযাত্রা শেষে শিল্পকলা একাডেমির মুক্তমঞ্চে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আলপনা বেগমের পরিচালনায় হিমু স্রষ্টা হুমায়ূন আহমেদকে স্মরণের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের কাছে সাহিত্যকর্মকে তুলে ধরার প্রয়াসকে সাধুবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন অতিথিরা।
এছাড়াও লেখকের জন্মস্থান নানার বাড়ি জেলার মোহনগঞ্জের শেখ বাড়িতে ও লেখকের পৈত্রিক ভিটা কেন্দুয়ার কুতুবপুরে লেখক প্রতিষ্ঠিত শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপিঠে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির নজরুল মঞ্চে আড্ডায় আড্ডায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রেখেছে হিমু পাঠক আড্ডা। এতে শিল্পী সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবীরা আলোচনা করবেন।








