দুই ম্যাচে গোল হজম করতে হয়েছে ১৬টি। ভারতের পর নেপালের কাছে হারায় এক ম্যাচ হাতে রেখেই ভুটানের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ কার্যত শেষ হয়ে গেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের বিপক্ষে হারের পর ভুটানের সাথে জিতে ফাইনালের আশা জিইয়ে রেখেছে নেপাল। ফলাফল ভিন্ন হলেও ম্যাচের পর দুদলের কোচই একবিন্দুতে মিলে গেলেন। কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের সিনথেটিক টার্ফের সমালোচনায় সামিল হলেন।
প্রথমে সংবাদ সম্মেলনে আসেন ভুটান কোচ কারমা দেমা। বাংলাদেশের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ম্যাচ কতটা কঠিন হবে- এমন প্রশ্নে জবাবে তার উত্তর, ‘আমি ম্যাচটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’
আগের ম্যাচে আঘাত পাওয়ায় মাঠ ছেড়েছিলেন ভুটান অধিনায়ক এবং গোলরক্ষক নরবু জাংমো। রোববার তিনি খেলতেই পারেননি। একাধিক ফুটবলারের চোটে পড়ার জন্য দেমা বাজে টার্ফকেই দুষলেন।
‘আসলে এমন টার্ফে আমরা প্রথমবার খেলছি। অনেকেই ইনজুরিতে পড়ছে। শুধুমাত্র পেশির চোট নয়, আমাদের অধিনায়কের হাড় ভেঙেছে। কয়েকজনের শরীরের নানা অংশে আঘাত আছে। টার্ফ অনেকবেশি শক্ত।’
‘আমাদের দেশেও টার্ফ আছে। আমরা ঘাসের মাঠ এবং টার্ফ দুটাতেই অনুশীলন করি। এখানকার টার্ফ একেবারেই আলাদা। ভুটানে চারটি ঘাসের মাঠ এবং একটি টার্ফের মাঠ আছে।’
এরপর সংবাদ সম্মেলনে এসে একই সুরে কথা বলেন নেপাল কোচ ইয়াম প্রসাদ গুরুংও। ভুটানের বিপক্ষে ৪-০ গোলে জিতলেও দল সেরাটা দিতে পারেনি বললেন।
‘আমাদের একজন প্রথম ম্যাচে ইনজুরিতে পড়েছে। এই টার্ফ অনেকবেশি শক্ত। আমরা দেশে টার্ফে খেলেছি, তবে এটার সাথে অনেক ফারাক আছে।’
লাল-সবুজের দলের বিপক্ষে আগের ম্যাচে হারার পর সেলাই করা বল বাদ দিয়ে সেলাই ছাড়া বল দিয়ে খেলাকে হারের জন্য দায়ী করেছিলেন। আজও তিনি একই কথার পুনরাবৃত্তি করেছেন। তবে ভুল সংশোধন করে ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে নামার কথাও বলেছেন।
পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে এই বিষয়ে বাফুফের নারী দলের উইং মাহফুজা আক্তার কিরণের কাছে প্রসঙ্গটি তোলা হয়। তিনি বললেন, ‘আপনাদের কাছ থেকেই আমি রিপোর্ট পেলাম। সভাপতির সাথে কথা বলব। টার্ফের কাজ করা হবে।’






