বিপিএলে চিটাগং কিংসের হয়ে তিন ম্যাচ খেলেছেন বিনুরা ফের্নান্দো। রংপুর রাইডার্স, ফরচুন বরিশাল ও দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে ভালো বোলিং করেছেন। ৩ ম্যাচে ২ উইকেট শিকার করলেও কম খরুচে ছিলেন। ৬.১১ ইকোনমিতে খরচ করেছেন ৫৫ রান। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পরও ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে খেলানো হয়নি তাকে। ১৫ জনের স্কোয়াডেও ছিলেন না লঙ্কান পেসার। খেলা শুরু হতেই আলোচনা ওঠে পারিশ্রমিক না পেয়ে ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন তিনি। তবে ভিন্ন কথা বলেছেন চিটাগং ম্যানেজার মোহাম্মদ লাবলুর রহমান।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ৮ উইকেটে হেরে যায় চিটাগং। তার আগে একাদশ ঘোষণার পর ছড়িয়ে পড়ে পারিশ্রমিক জটিলতায় ফের্নান্দোর ম্যাচ না খেলার কথা। বেশকিছু সংবাদমাধ্যমে অসমর্থিত সূত্রে খবরও ছাপে। যদিও ফের্নান্দোসহ ম্যাচে তিনটি পরিবর্তন এনেছিল চিটাগং। একাদশ থেকে বাদ পড়েন উসমান ও রাহাতুল ফেরদৌস। তাদের জায়গায় প্রথমবার বিপিএল খেলতে নামেন জুবাইদ আকবারি ও হুসাইন তালাত এবং ফেরেন আলিস আল ইসলাম।
ফের্নান্দোর না খেলার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে সংবাদ সম্মেলনে। পারিশ্রমিক না পাওয়ায় ম্যাচ না খেলার বিষয়টি জানতে চাওয়া হয় লাবলুর রহমানের কাছে। ভিন্ন ব্যাখ্যাই দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, ‘এরকম (পারিশ্রমিক সমস্যা) কোনকিছু নয়। নতুন ক্রিকেটার এসেছে, হুসাইন তালাত। আমরা এই কারণেই ওকে (বিনুরা) বদলেছি। আমাদের ব্যাটিং অর্ডার কিন্তু একটু বড় ছিল। যেহেতু সে (তালাত) অলরাউন্ডার, তাই দলের সমন্বয়ের জন্যই ওকে নেয়া।’
‘পারিশ্রমিকের কোনো ধরনের সমস্যা নেই। ওর (বিনুরা) যে চুক্তি, এর পঞ্চাশ শতাংশ আগেই দিয়েছি। এই পারিশ্রমিকের কারণে ও দলের বাইরে নয়। সার্বিকভাবে আমাদের দলের দেশি ও বিদেশি, সবারই পারিশ্রমিক হয়েছে। অন্য দলের মতো নয়। আমাদের যথেষ্ট ভালো পরিমাণে দেয়া হয়েছে।’
‘কেউ কেউ ৭০ শতাংশ পেয়ে গেছে, কেউ ৫০ শতাংশ পেয়েছে, কেউ ৪০-৪৫ শতাংশ আছে। তবে বেশিরভাগ ক্রিকেটার ৫০ শতাংশ পেয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যে বাকিটাও, আমাদের তো সাত দিনের বিরতি আছে। এরমধ্যে বাকিগুলোও দিয়ে দেবো আশা করি।’
চট্টগ্রাম পর্বে পাঁচ ম্যাচে দুটি জিতেছে চিটাগং। সবমিলিয়ে ৯ ম্যাচে ৫ জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে তারা। আগামী বুধবার মিরপুরে রংপুরের বিপক্ষে নামবে বন্দরনগরীর দলটি।







