আদালতে মার্কিন অভিনেতা ও প্রযোজক বেন অ্যাফ্লেকের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় গায়িকা জেনিফার লোপেজের। বিবাহ বিচ্ছেদের পর এখন একাই আছেন জেনিফার। বিচ্ছেদের কারণে ২৫ মিলিয়ন ডলার ক্ষতির ঝুঁকিতে আছে বেন-জেনিফারের বেভারলি হিলের বিলাসবহুল বাড়িটি।
বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়ে আবেদনের আগেই বেভারলি হিলের বাড়িটি বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়েছেন বেন-জেনিফার। ৬৮ লাখ ডলারের বিনিময়ে বাড়িটি বিক্রি করতে চাইছেন তারা। তবে রিয়েল এস্টেট এক্সপার্টরা বলছেন, বাড়িটি অনেক বড় এবং খারাপ লোকেশনে হওয়ায় এত দামে বিক্রি করতে পারবেন না বেন-জেনিফার।
এক ওয়েস্ট কোস্ট রিয়েল এস্টেট এক্সপার্ট ‘নিউ ন্যাশন’-কে বলেছেন, ‘বাড়িটির প্রকৃত মূল্য ৪০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ডলার। খুবই খারাপ লোকেশনে অবস্থিত বাড়িটি। জনপদ থেকে বিচ্ছিন্ন, কোনো নিরাপত্তা নেই। ওই এলাকার বেশিরভাগ বাড়ি সত্তরের দশকে নির্মিত এবং সেগুলোর মূল্য ৫ থেকে ১০ মিলিয়ন ডলার।’
রিয়েল এস্টেট এক্সপার্ট আরও বলেন, ‘এটি আসলে বড় একটি সাদা হাতি। অত্যধিক চটকদার, অতিরিক্ত বড় এবং এমন কিছু সুযোগসুবিধা আছে এতে যেগুলোর কোনো প্রয়োজনই নেই (যেমন ইনডোর স্পোর্টস কমপ্লেক্স)।
বেন-জেনিফারের বাড়িটিতে ১২টি বেডরুম, ২৪টি বাথরুম আছে। ৫ একর জায়গায় নির্মিত এই বাড়িটি ২০২৩ সালে কেনা হয়েছিল ৬০.৮ মিলিয়ন ডলারে। বাড়িটি সংস্কারেও মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে তারকা জুটির।
View this post on Instagram
দুই মাস ধরে বাড়িটি বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দেয়া আছে। যে এই বাড়িটি কিনবেন, তার বাৎসরিক ট্যাক্স গুণতে হবে ১.৫ মিলিয়ন ডলার। তাই বাড়িটি চড়া মূল্যে বিক্রি হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।
ক্যারিয়ারে ২০০০ সালের দিকে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান জেনিফার ও বেন। যা গড়ায় বিয়ের সিদ্ধান্তে। ২০০২ সালে করেন আংটি বদল। কিন্তু হঠাৎ বিয়ের পিঁড়িতে না বসে ব্রেকআপ করেন তারা। এরপর অন্য জীবনসঙ্গীকে সাথে নিয়েই তাদের সময় কাটতে থাকে।
বিচ্ছেদের ২০ বছর পার হওয়ার পর আবারও তারা একে অন্যের প্রেমে পড়েন। ২০২২ সালে করেন আংটি বদল। সে বছরই জুলাই মাসে ধুমধাম করে বিয়ে করেন।
তারপর বিয়ের দুই বছর পেরোতেই জটিলতা শুরু হয় তাদের মাঝে। কোনো আইনজীবী ছাড়া নিজেই আদালতে অ্যাফ্লেকের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করেন জেনিফার। ২০২৪ সালে জুলাই মাস থেকেই তারা আলাদা থাকতে শুরু করেন।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস







