গোপালগঞ্জে খেয়াঘাট ইজারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজন হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মোঃ খায়রুল মোল্লা (২৯) নামে এক দিনমজুরের দুই পা ভেঙ্গে ফেলেছে। আহত দিনমজুরকে প্রথমে কাশিয়ানী ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।
গত সোমবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার দক্ষিণ চরভাট পাড়া গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে।
প্রত্যক্ষ্যদর্শী ও এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে কাশিয়ানী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ আলম জানিয়েছেন, কাশিয়ানী উপজেলার দক্ষিণ চরভাটপাড়া ইতনা খেয়াঘাটের ইজারাকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘ দিনযাবত দ্বন্দ চলছিলো। খাস কালেকশন পক্ষের লোক হিসাবে দক্ষিণ চরভাটপাড়া গ্রামের মোঃ উতার উদ্দিন মোল্লার ছেলে মোঃ খায়রুল মোল্লা ঘাটে তদারকি করছিলো। এ সময়ে ওই গ্রামের পাচু শিকদারের ছেলে-মোঃ লায়েক শিকদার, তার ভাই শাজাহান শিকদার , মুসা মোল্যার ছেলে মোঃ ইলিয়াস, মোঃ আলী খানের ছেলে মোঃ উজির খান, মালেক খানের ছেলে মোঃ বিলাশ খান, মোঃ লিখন খানের ছেলে মোঃ মেহেদী খান, মৃত-অদুত খানের ছেলে মোঃ আহাদ খানসহ তাদের লোকজন হাতুড়ি ও লোহার রড দিয়ে খায়রুলের উপর উপর হামলা চালিয়ে পিটিয়ে তার দুটি পা ভেঙ্গে ফেলে। খায়রুল মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা তাকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে চলে যায়। এরপর পথচারী ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কাশিয়ানী ১০০ শষ্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ও পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কাশিয়ানী থানার ওসি মোঃ ফিরোজ আলম আরো বলেন, অভিযুক্ত মোঃ আহাদ খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যহত রয়েছে।
উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, পূর্বের ইজারা মূল্যের অনেক নিচে ডাক উঠার কারণে খেয়াঘাটটি ইজারা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই স্থানীয় লোকজনদের দিয়ে খাস কালেকশন করা হচ্ছে। তারই সুত্র ধরে আহত খায়রুল খাস কালেকশন করছিলো। এ ব্যাপারে থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।








