নাজমুল হোসেন শান্ত অনেক প্রতীক্ষার ফিফটি পেলেন বটে তবে তা জয়ের জন্য যথেষ্ট হলো না। বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিলেন ডেভিড মালান। ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরির স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি দলকে এনে দিলেন দুর্দান্ত এক জয়।
নিজের ১৬তম ওয়ানডে ম্যাচে এসে প্রথম ফিফটি পান শান্ত। তার ৫৮ রানের ইনিংসে বাংলাদেশ পায় ২০৯ রানের সংগ্রহ। অল্প পুঁজি নিয়েও জয়ের আশা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। ১০৩ রানে ইংলিশদের ৫ উইকেট তুলে নেন সাকিব-তাইজুল-তাসকিনরা মিলে।
জয়ের বিশ্বাস নিয়েই আগাচ্ছিল বাংলাদেশ। তবে মালানের অসাধারণ ব্যাটিংয়ে স্বপ্নভঙ্গ হয় স্বাগতিকদের। রান তাড়ায় পুরো দলকে বেশ ভুগতে হলেও এ বাঁহাতি টপঅর্ডার ব্যাটার ছিলেন একদমই আলাদা। লো-স্কোরিং ম্যাচে ১১৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
মালানের মতো কেউ হাল ধরতে পারেননি বাংলাদেশের। শান্ত ইনিংস বড় করতে না পারার আক্ষেপে পুড়ছেন। তার বিদায়ের পর আরও তিন উইকেট হারালে বাংলাদেশ পায়নি প্রত্যাশিত সংগ্রহ। নইলে অনায়াসেই আড়াইশ করতে পারত স্বাগতিকরা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসা শান্তর কন্ঠেও ঝড়ল আক্ষেপ।
‘ব্যাটিংয়ে আমরা মিডলওভারে ব্যাক টু ব্যাক তিনটি উইকেট দিয়ে দিয়েছি। পরবর্তীতে আমরা কামব্যাক করতে পারিনি। তবে আমরা যে রান করেছিলাম বোলিংটা যেভাবে শুরু করেছিলাম আমরা ওই রানটা ডিফেন্ড করার মতো জায়গায় চলে গিয়েছিলাম। কারণ ১০০ রানে ৫ উইকেট, ওদের অনেক রান লাগতো। আমাদের যে বোলিং অ্যাটাক আর উইকেট যেরকম ছিল ওখান থেকে ম্যাচটা জেতা সম্ভব ছিল। কিন্তু কোনো কারণে হয়নি। বোলাররা বেশ ভালো করেছে। আমার মনে হয় মালান খুব ভালো ব্যাটিং করেছে।’
পুঁজি কম হলেও দারুণ বোলিংয়ে বার বার ম্যাচে ফেরে বাংলাদেশ। নিয়মিত বিরতিতে তুলে নেয় উইকেটও। তবে ডেভিড মালানকে আউট করা যায়নি। তিন নম্বরে নামা এ বাঁহাতি একাই টেনেছেন ইংল্যান্ডকে।







