বাংলাদেশ ক্রিকেটে চলমান অস্থিরতার মধ্যে সামনে এলো ভয়ংকর এক অভিযোগ। ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুনসহ বেশ কয়েকজনকে ‘দেখে নেয়ার’, রাস্তাঘাটে ‘হেনস্থা করার’ এমনকি গুলি করে হত্যার হুমকিও দেয়া হচ্ছে। ‘দালালি’ করে দেশে ‘অস্থিতিশীল পরিবেশ’ সৃষ্টি করেছেন বলা হচ্ছে। ‘আজকের পর থেকে কোন ক্রিকেটার বাংলাদেশের মাটিতে সুস্থভাবে হাঁটতে পারবে না’ বলেও তাদের কাছে বার্তা আসছে অচেনা নম্বর থেকে।
গতরাতে সংবাদ সম্মেলনে মিঠুন বলেছেন, ‘ক্যামেরার সামনে আমরা যারা এসেছি, তারা সবাই পেয়েছে (হুমকি), শুধু আমি নই। কোন না কোনভাবে বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে আমাদের বিভিন্ন হুমকি-ধামকি দেয়া হচ্ছে। এটা সত্য।’
বিষয়টি নিয়ে বিসিবি পরিচালক ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু জানালেন, বোর্ডের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে ব্যাপারটি খতিয়ে দেখতে বলবেন তারা।
‘আমাদের নিরাপত্তা বিভাগ আছে। আমরা তো এখন শুনলাম। আমি ওটায় অনুরোধ করব, যার যার কাছে এসেছে (হুমকি), এই ফোন নম্বরগুলো যদি আমাদেরকে দেয়, আমরা আমাদের নিরাপত্তা বিভাগকে দেব, ওনারা দায়িত্ব নেবেন। আমরা এটাকে গুরুত্ব দিয়েই নিচ্ছি।’
ঘটনার সূত্রপাত বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের আপত্তিকর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। প্রতিবাদে গত বুধবার রাতে তার পদত্যাগের দাবিতে খেলা বয়কটের আল্টিমেটাম দিয়েছিল কোয়াব। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে নাজমুল পদত্যাগ না করায় ক্রিকেটাররা বিপিএলের ম্যাচ বয়কট করেন।
পরে বিসিবির এক অনলাইন সভায় ওই পরিচালকের পদ বহাল রাখা হলেও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। সিদ্ধান্তের পরও ক্রিকেটাররা খেলায় ফিরতে রাজি হননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে বৃহস্পতিবার রাতে বিসিবি কর্মকর্তারা প্রথমে ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রতিনিধিদের সঙ্গে এবং পরে ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বৈঠকের পর শুক্রবার থেকে পুনরায় বিপিএল শুরুর ঘোষণা দেয়া হয়।








