চলতি বছরেই ওটিটি প্লাটফর্ম চরকিতে স্ট্রিমিং হয়েছে বাশার জর্জিস পরিচালিত প্রথম সিরিজ ‘ওভারট্রাম্প’। তারকাবহুল এই সিরিজ নির্মাণের পর এবার নিজের প্রথম সিনেমা নির্মাণে নেমে পড়ছেন নির্মাতা বাশার।
শর্টফিল্ম, বিজ্ঞাপন, নাটক ও সিরিজ নির্মাণের পূর্ণ অভিজ্ঞতা নিয়েই সিনেমার দুনিয়ায় পা রাখতে যাচ্ছেন তিনি। তবে নিজের প্রথম সিনেমাটি সম্পর্কে এখনই আগাম কোনো আভাস দিতে নারাজ বাশার জর্জিস।
শুধু জানালেন, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। বর্তমানে চলছে চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্যের চূড়ান্ত সম্পাদনার কাজ। চিত্রনাট্য চূড়ান্ত হলে শিগগির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ শুরু করবেন।
প্রথম চলচ্চিত্র সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী নির্মাতা বাশার জর্জিস জানান, মানুষের অন্তর্গত জীবনের সাথে বাস্তব জীবনের যে মিল-অমিল তাই চলচ্চিত্রের মূল কেন্দ্রবিন্দু।
টেলিভিশন থেকে বড় পর্দায় নিজের কাজকে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে প্রস্তুতি তা বাশার আগেই সম্পন্ন করেছেন বেশ ভালোভাবেই। ক্রাইম, ড্রামা, থ্রিলার ও কমেডিকে প্রাধান্য দিয়ে সিরিজ নির্মাণ করলেও পূর্ণদের্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে অবশ্য আরও কেন্দ্রীভূত মনযোগ দেবার আগ্রহ নির্মাতার।
ওয়েব সিরিজ ‘ওভার ট্রাম্প’ নির্মাণের আগে প্রজন্ম ওয়েবের শর্টফিল্ম ‘মর্নিং কফি’ নির্মাণ করে বেশ জনপ্রিয়তা ও প্রশংসিত হয়েছিলেন জর্জিস বাশার। পরিচালনা করেছেন বিটিভি ও এটিএন বাংলায় প্রচারিত বিবিসি’র ধারবাহিক নাটক ‘উজান গাংগের নাইয়া’রও একাধিক পর্ব। এছাড়াও সম্প্রতি বাংলাদেশে জনপ্রিয় কোক স্টুডিও বাংলার সবগুলো গানেরই ভিডিও এডিট ও সম্পাদনা করেছেন এই নির্মাতা-সম্পাদক।
যুক্তরাজ্যের প্রখ্যাত প্রতিষ্ঠান ব্রিজ একাডেমি থেকে ডিজিটাল ফিল্ম মেকিংয়ে ডিপ্লোমা করেন বাশার জর্জিস। একই সঙ্গে নির্মাণ ও সম্পাদনায় দখল থাকায় দেশের শীর্ষস্থানীয় নির্মাতাদের সাথে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন। দুই শতাধিক বিজ্ঞাপন সম্পাদনা ছাড়াও করেছেন দুটি রিয়েলিটি শো এবং বেশ কয়েকটি টেলিফিল্মের কাজ।
২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে বিবিসির সঙ্গে যুক্ত হন বাশার। ২০১৩ সাল পর্যন্ত বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস ট্রাস্টের একজন প্রোগ্রাম এডিটর ও কালারিস্ট ছিলেন তিনি।
পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রস্তুতি হিসেবে বাশার জর্জিস ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের অর্থায়নে ছয়টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন। এগুলো পুনে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, গোয়া শর্টফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং টরোন্টোর দক্ষিণ এশিয়ার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবসহ বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে মনোনীত ও প্রদর্শিত হয়েছে।








