ইউক্রেন-রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ অবসানে কোনো শান্তি চুক্তি হলে দেশ দুটির মধ্যে একটি বাফার জোন বা নিরাপত্তা অঞ্চল গড়ে তোলা হতে পারে । আর এই বাফার জোনের বা নিরাপত্তা অঞ্চলের পর্যবেক্ষণে নেতৃত্ব দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। আর বাড়তি নিরাপত্তার জন্য সেখানে সৌদি আরব কিংবা বাংলাদেশের মতো ন্যাটো সদস্যভুক্ত দেশের বাইরের এক বা একাধিক দেশ থেকে সেনা পাঠানো হতে পারে।
শুক্রবার ৫ সেপ্টেম্বর মার্কিন সংবাদ মাধ্যম এনবিসি নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভবিষ্যতে রাশিয়ার আক্রমণ থেকে ইউক্রেনকে রক্ষা করার জন্য পরিকল্পিত এই বাফার অঞ্চলটি হবে একটি বৃহৎ সামরিক নিরস্ত্রীকরণ অঞ্চল এবং এটি রক্ষার জন্য সৌদি আরব বা বাংলাদেশের মতো এক বা একাধিক ন্যাটো বর্হিভূত দেশের সৈন্য মোতায়েন করা হতে পারে।
এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ান এবং ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার পর যুদ্ধ বন্ধ করতে না পারায় হতাশ হয়ে পড়েছেন। কারণ ট্রাম্প গত মাসে আলাস্কায় একটি শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ বা শেষ করার জন্য কোনো সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন না। এছাড়াও মস্কোর সঙ্গে আর কোনো বৈঠকে সম্মত হওয়ার কোন প্রকাশ্য লক্ষণ দেখা যায়নি।
এনবিসি আরও জানিয়েছে, রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবেদনটি নিশ্চিত করতে পারেনি। আর রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে হোয়াইট হাউস সাড়া দেয়নি।







