এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
পাঁচ ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে বাংলাদেশের বোলিংয়ের কাছে পাত্তাই পায়নি জিম্বাবুয়ে। শেখ মেহেদী হাসান-তাসকিন আহমেদ-সাইফদ্দিন আহমেদের বোলিং তোপে সফরকারীরা ১২৪ রানে অলআউট হয়। দীর্ঘদিন পর দলে ফিরে দারুণ বোলিং করেছেন সাইফউদ্দিন। শেষ দিকে মাসাকাদজা-মাদান্দে জুটিতে সম্মানজক স্কোর পায় অতিথিরা।
জিম্বাবুয়ের ইনিংসে ধসের শুরুটা করেন ডানহাতি স্পিনার শেখ মেহেদী হাসান। পাওয়ার প্লের দ্বিতীয় ওভারে রানের খাতা না খোলা ওপেনার ক্রেইগ আরভিনকে ফেরান। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে বল করতে এসে জিম্বাবুয়ের ওপেনার জয়লর্ড গাম্বিকেও সাজঘরে পাঠান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। নিজের প্রথম ওভারের শেষ বলে উইকেট পান এ পেসার।
পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে শেখ মেহেদীর প্রথম বলে রান আউটে কাটা পড়েন ব্রায়ান বেনেট। পরের বলে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজাকে শূন্য রানে সাজঘরের পথ দেখান এ স্পিনার। স্লিপে তার ক্যাচটি নেন লিটন দাস। পাওয়ার প্লে শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেট ৩৮ রান।
ইনিংসের সপ্তম ওভার আরও চমকে ভরা। বল করতে আসা পেসার তাসকিন আহমেদ প্রথম বলে শূন্য রানে আউট হন শন উইলিয়ামস। পরের বলে শূন্য রানে সাজঘরের পথ ধরেন রায়ান বার্ল। ৭ ওভার শেষে ৩৯ রানে ৬ উইকেকে পরিণত হয় সফরকারীরা। অষ্টম ওভারে আবারও সাইফউদ্দিনের আঘাত। এবার দুই রানে সাজঘরে ফেরেন লুক জংউই।
অষ্টম উইকেটে দারুণ এক জুটি গড়েন ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও মাদান্দে। তাদের এ জুটি থেকে আসে ৬৪ বলে ৭৫ রান। জিম্বাবুয়ের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন মাদান্দে। এছাড়া মাসাকাদজা করেন ৩৩ রান। এরপর শেষে আবারো ব্যাটিং ধস। ৮ রান যোগ করতেই শেষ ৩ উইকেট হারিয়ে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে।
তাসকিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফদ্দিন ৪ ওভারে ১৪ রানে ৩ উইকেট নেন। এছাড়া শেখ মেহেদী হাসান ৪ ওভারে ১৬ রানে ২ উইকেট পান।
চট্টগ্রামের সাগরিকায় টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। দীর্ঘ সময় পর একাদশে ফেরেন পেস-অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। অভিষেক হয়েছে টাইগারদের বাঁহাতি তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমের।







