ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ এক ম্যাচ হাতে রেখেই জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ওয়ানডে জয়ের পরও একাদশে আনা হয়েছিল পরিবর্তন। আগের ম্যাচে বল হাতে উইকেট না পেলেও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৮ ওভারে মাত্র ২৫ রান দিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। অথচ পরের ম্যাচেই তাকে বাদ পড়তে হল।
ম্যাচ শেষে ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল জানালেন কৌশলগত কারণেই তাসকিনকে একাদশের বাইরে রাখতে হয়েছে। একইসঙ্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বললেন তাকে দলে না রাখার কথা।
‘তাসকিনেরটা আমার কাছে মনে হয় খুবই দুর্ভাগ্যজনক। সে আসলে ভালো বল করছিল। কালকে যখন উইকেট দেখতে এলাম, তখন চিন্তা করলাম আমাদের আরেকজন বেশি স্পিনারের দরকার। বাড়তি ব্যাটসম্যান থাকলে ভালো হয়। কারণ এই উইকেটে পর পর দুটি উইকেট হারানো যাবে না। বল মারাত্মক স্পিন করছিল। আমরা এ কারণেই পরিবর্তন এনেছি। এটা পুরোটাই কৌশলগত কারণ।’
স্পিন শক্তি বাড়াতে তাসকিনের পরিবর্তে খেলেছেন মোসাদ্দেক হোসেন। টসে জিতে ফিল্ডিং নিয়ে তার হাতেই বল তুলে দিয়েছিলেন তামিম। নতুন বলে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের মোসাদ্দেক একেবারেই আগ্রাসী হতে দেননি। পুরো ১০ ওভার বোলিং করে দিয়েছেন ৩৫ রান।কাইল মায়ার্সকে বোল্ড করে মাঠ ছাড়া করেন।
আরও একটি কৌশলে দলের সফলতার কথা জানালেন তামিম। ওপেনিংয়ে লিটন দাসের পরিবর্তে তার সঙ্গে নেমেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। দুই বাঁহাতি ব্যাটারের ওপেনিংয়ে নামার কারণ টাইগার অধিনায়ক খোলাসা করেন।
‘বল অনেক স্পিন করছিল। ডান হাতির (ব্যাটার) জন্য অবশ্যই কঠিন হতো। আমি আর শান্ত যখন ওপেন করতে গেলাম, আমরা বলছিলাম যদি রান নাও হয়, কোনো সমস্যা নাই। ওদের ওভারগুলো শেষ হয়ে গেলেও আমাদের হাতে ৩০ ওভারের মতো থাকবে। আমাদের ৪৮ রানের একটা ভালো জুটি হয়েছে। ৪৮ রান দেখতে কম লাগতে পারে, তবে এই উইকেটে ৪৮ রান ১০০ রানের মতোই।’
‘আমি অবশ্যই বলবো, শান্তকে দিয়ে ওপেন করানো লিটনের অসাধারণ সিদ্ধান্ত ছিল। ফিল্ডিংয়ের শেষের দিকে ও এসে আমাকে বলল, “ভাই যদি আপনারা দুইজন ওপেন করেন তাহলে কেমন হয়?” কারণ বাঁহাতি বোলাররা ওদের মূল অস্ত্র ছিল। আমি মনে করি ওর সিদ্ধান্তটা অসাধারণ ছিল।’








