বৃহস্পতিবার গড়িয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ। সব খবর দ্রুত পেতে চোখ রাখুন চ্যানেল আই অনলাইনে। লাইভ ব্লগে পাঠকদের জন্য একত্রে থাকছে টাইগারদের তিন ম্যাচের সিরিজে তৃতীয় তথা শেষটির সবকিছু। মিরপুরের শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলা শেষ হয়েছে। বাংলাদেশ সিরিজ জিতেছে ২-১ ব্যবধানে।
১৯.৪৫
১৯.৪০
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ফলাফল: বাংলাদেশ ১৭৯ রানের জয়ের সাথে ২-১ সিরিজ জয়ী
ওয়েস্ট ইন্ডিজ- ১১৭/১০
আকিল হোসেইন -২৭*, ব্রান্ডন কিং -১৮, অ্যালিক অ্যাথানজে -১৫
নাসুম আহমেদ- ৩/১১, রিশাদ হোসেন- ৩/৫৪, তানভীর ইসলাম- ২/১৬, মেহেদী মিরাজ- ২/৩৫
বাংলাদেশ- ২৯৬/৮, ওভার- ৫০
সৌম্য সরকার-৯১, সাইফ হাসান- ৮০, নাজমুল হোসেন শান্ত- ৪৪
আকিল হোসেন- ৪/৪১, আলিক আথানাজে- ২/৩৭, গুডাকেশ মোতি- ১/৫৩
১৯.৩৯
মিরাজের উইকেট, সিরিজ বাংলাদেশের
ওয়েস্ট ইন্ডিজের সবশেষ ব্যাটার হিসেবে আকিল হোসেইনকে আউট করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এ আউটের পর সিরিজ জয়ের আনন্দে মেতে উঠে বাংলাদেশ। ওয়ানডেতে টানা সিরিজ হারের পর সিরিজ জিতল বাংলাদেশ।
১৮.৫৭
কার্টিরও বিদায়
কেসি কার্টি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কিছুটা সময় ধরে রেখেছিলেন। তবে তানভীর ইসলামকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন। করেন ৪৩ বলে ১৫ রান।
১৮.৪১
রিশাদ ফেরালেন চেজ-রাদারফোর্ডকে
১৯তম ওভারে দুই সাফল্য তুলেছেন স্পিনার রিশাদ হোসেন। ওভারের প্রথম বলে শেরফান রাদারফোর্ডকে ফেরানোর পর চতুর্থ বলে ফিরিয়েছেন রোস্টন চেজকে। রাদারফোর্ড ১২ রান করলেও চেজ কোনো রান করতে পারেননি।
১৮.২৩
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হোপ শেষ
দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন অধিনায়ক শাই হোপ। শেষ ম্যাচে তাকে দ্রুত আউট করেছেন তানভীর ইসলাম। মাত্র ৪ রান এসেছেন তার ব্যাট থেকে।
১৮.০৩
নাসুমে তৃতীয় সাফল্য বাংলাদেশের
প্রথম দুই উইকেট তুলে নিয়ে পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দেন নাসুম আহমেদ। ওপেনার ব্রান্ডন কিংকে আউট করে বাংলাদশকে তৃতীয় সাফল্য এনে নাসুম। কিং করেন ১৮ রান।
১৭.৫৬
রিভিউয়ে সাফল্য বাংলাদেশের
সপ্তম ওভারে নাসুম আহমেদের বলে আকিম অগাস্তের লেগ বিফোরের আবেদন করে বাংলাদেশ। আম্পায়ার সেই ডাকে সাড়া না দিলে রিভিউয়ের সিদ্ধান্ত নেন মেহেদী মিরাজ। সেখানে সাফল্য পায় বাংলাদেশ।
১৭.৪৮
নাসুমে প্রথম সাফল্য
বাংলাদেশের প্রথম সাফল্য এসেছে নাসুম আহমেদের হাত ধরে। পঞ্চম ওভারে অ্যালিক অ্যাথানজে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে আউট করেন। ২১ বলে ১৫ রান করেছেন এ বাঁহাতি ব্যাটার।
১৭.১৫
২০১৫ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় উইকেটে ১৭৮ রান করেন তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিম।
১৭.০২
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ- ২৯৬/৮, ওভার- ৫০
সৌম্য সরকার-৯১, সাইফ হাসান- ৮০, নাজমুল হোসেন শান্ত- ৪৪
আকিল হোসেন- ৪/৪১, আলিক আথানাজে- ২/৩৭, গুডাকেশ মোতি- ১/৫৩
১৬.৩৭
রান তোলার তাড়া, উইকেট যাচ্ছে দ্রুত
দ্রুত রান তোলার তাড়ায় বাংলাদেশ। উইকেটও যাচ্ছে দ্রুত। ৬ করে বোল্ড হলেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। ৩ করে ক্যাচ দিয়েছেন রিশাদ হোসেন। ১ রানে নাসুম আহমেদ ফিরেছেন। বাংলাদেশ- ২৬১/৭ (৪৬)
১৬.৩০
৩ ছয়ে ৪৪ করে গেলেন শান্ত
চারের মার নেই, ৩ ছক্কায় ৫৫ বলে ৪৪ রান করে ফিরে গেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। আথানজের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়েছেন। বাংলাদেশ ৪৩.৪ ওভারে ২৫৩/৪
১৬.১৫
হৃদয়ের বিদায়
তৃতীয় উইকেট হিসেবে আউট হয়েছেন তাওহিদ হৃদয়। ৪৪ বলে ২৮ রান করেছেন এ ডানহাতি ব্যাটার। চাপমুক্ত দলের থেকে দলকে চাপে রেখে গেছেন হৃদয়।
১৫.৪৪
৩২ ওভারে ২০০ পার বাংলাদেশের
সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকারের ১৭৬ রানের জুটির পর ৩১.৪ ওভারে দলীয় দুইশত রান পার করেছে বাংলাদেশ।
১৫.২৮
২২ মাস পর সৌম্যর সেঞ্চুরি হল না
ওয়ানডেতে ২২ মাস পর সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েছিলেন ওপেনার সৌম্য সরকার। তবে ৯১ করার পর আর এগোতে পারেননি। ডিপমিড উইকেটে আকিল হোসেনের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন। তার ইনিংসে সাতটি চার এবং চারটি ছক্কার মার রয়েছে।
১৫.১৪
সাইফ আউট, ভাঙল ১৭৬ রানের জুটি
রোস্টন চেজকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে আউট হয়েছেন সাইফ হাসান। ভাঙে মিরপুরে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ১৭৬ রানের ওপেনিং জুটি। ৭২ বলে ৮০ রান করে আউট হওয়ার আগে ৬টি চার ও ৬টি ছক্কা মেরেছেন এ ডানহাতি ওপেনার।
১৫.০২
মিরপুরে উদ্বোধনী জুটিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড
সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকার উদ্বোধনীতে এখন পর্যন্ত ১৫৬ রান তুলেছেন। ওয়ানডেতে মিরপুরে উদ্বোধনী জুটির সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড এটি। ২০১৪ সালের মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ইমরুল কায়েস ও এনামুল হক বিজয়ের করা ১৫০ রান ছিল এতদিন সর্বোচ্চ।
১৫.০০
দেড়শ রানের উদ্বোধনী জুটি
সাইফ হাসান ও সৌম্য সরকার মিলে উদ্বোধনীতে দেড়শ রানের জুটি গড়েছেন। রস্টন চেজের ওভারে চার ও ছক্কা হাঁকিয়ে ১৩০ বলে দেড়শ রানের জুটি পার করেন তারা।
১৪.৪০
১০ বছর পর ওয়ানডেতে মিরপুরে উদ্বোধনী জুটির সেঞ্চুরি
উদ্বোধনী জুটিতে শতরান ছাড়িয়েছেন সৌম্য সরকার ও সাইফ হাসান। ২০১৫ সালের ১১ নভেম্বরের পর মিরপুরে ওয়ানডেতে এটাই প্রথম উদ্বোধনী জুটি। ২০১৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে ১৪৭ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়েছিলেন বাংলাদেশের তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস।
১৪.৩৫
সাইফের প্রথম ফিফটি
ওয়ানডেতে প্রথম ফিফটির দেখা পেয়েছেন সাইফ হাসান। গুডাকেশ মোতিকে চার ও ছক্কা হাঁকিয়ে ৪৪ বলে তুলে নেন এ ফিফটি। এতে চারটি চার ও চারটি ছক্কার মার রয়েছে।
১৪.৩১
জীবন পেলেন সাইফ
১৬তম ওভারের প্রথম বলে গুডাকেশ মোতির বলে উড়িয়ে মারতে গিয়েছিলেন সাইফ হাসান। মিডঅনে দাঁড়ানো কেসি কার্টি দারুণ এক দুর্দান্ত চেষ্টা করেন। তবে বল তার হাতে থাকেনি, ৪০ রানের সময় পান জীবন।
১৪.২৪
১০ মাস পর সৌম্যর ফিফটি
ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরিজে তৃতীয় ওয়ানডেতে ৫ উইকেটে ৩২১ করেছিল বাংলাদেশ। ৭৩ বলে ৭৩ করেছিলেন সৌম্য সরকার। যদিও ওই ম্যাচে ৪ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ। ওই ফিফটির ম্যাচের পর এটি সৌম্যের চতুর্থ ম্যাচ। তার ফিফটি এসেছে ৪৮ বলে।
১৪.০০
৫০!
ইনিংসের অষ্টম ওভারে এসে কোন উইকেট না হারিয়ে ৫০ পেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ। সাইফ হাসান ১৭ বলে ২৪ ও সৌম্য সরকার ৩১ বলে ৩৫ রানে ক্রিজে আছেন। বাংলাদেশ ৮ ওভারে ৬০।
১৩.৩৪
প্রথম ওভারে ২ চার
দুই চারে ৮ রানে ইনিংস শুরু করেছেন সাইফ হাসান। আকিল হোসেইনের ওভারে সবকটি বলই খেলেছেন টাইগার ওপেনার। অপরপ্রান্তে আছেন সৌম্য সরকার।
১৩.০৮
একাদশে চার স্পিনার ও এক পেসার
১৩.০৫
বাংলাদেশ একাদশ
সৌম্য সরকার, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), নাজমুল হোসেন শান্ত, সাইফ হাসান, নুরুল হাসান সোহান, তাওহীদ হৃদয়, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, মোস্তাফিজুর রহমান, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম ও নাসুম আহমেদ।
১৩.০১
টস
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের মিশনে তৃতীয় ওয়ানডেতে টসে জিতে আগে ব্যাটিং বেছে নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।








