এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
ছেলেদের কাভা কাপ ২০২৫ ভলিবলের আন্তর্জাতিক আসরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে জয় তুলেছে বাংলাদেশ। প্রথম দুই সেট জিতে এগিয়ে গিয়েও পরবর্তী দুই সেট হেরে ম্যাচ প্রায় হাতছাড়া হয়েছিল কোচ রায়ান মাসাজেদীর শিষ্যদের। তবে পঞ্চম সেটে শ্রীলঙ্কাকে পাত্তা দেয়নি বাংলাদেশ, ম্যাচ জিতে নেয় ৩-২ সেটে। দুর্দান্ত জয়ের পর পর কুইক অ্যাটাকার মো. নাঈম হোসেন বলেছেন, ‘আমরা সেরাটা দিয়ে খেলার চেষ্টা করছি।’
আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে না পারা এবং ম্যাচের চাপ নিয়ে নাঈম হোসেন বলেন, ‘আমাদের খেলোয়াড়েরা গত দুই বছর ধরে কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। সেই জায়গা থেকে দেখা যাচ্ছে যে, মানসিকভাবে আমরা চাপটা নিতে পারতেছি না। আর আমাদের খেলোয়াড়দের অধিকাংশ নতুন। আপনারা মাঠে দেখলে খেয়াল করবেন, দুইজন সিনিয়র আর বাকি সবাই আমরা খেলতেছি নতুন খেলোয়াড়। এজন্য আমরা একটু চাপ কম নিতে পারতেছি।’
‘আমাদের অভিজ্ঞতার অভাবটা অবশ্যই আছে। এখানে অনেক খেলোয়াড় আছে যারা প্রথমবার খেলছে, মানে এটাই তাদের প্রথম ম্যাচ। আবার এটাই ভলিবলে তাদের প্রথম আন্তর্জাতিক আসর। এজনই আসলে এমন হচ্ছে। আমাদের খেলোয়াড়েরা ভালোভাবে ম্যাচে ফিরবে। যেহেতু আমরা পাঁচ সেটে জিতে ফিরতে পারছি অবশ্যই তাদের সেই যোগ্যতা আছে। এজন্যই তারা ম্যাচে ফিরতে পেরেছে। এখানে সবাই ভালো খেলোয়াড়, সবাই নিজের জায়গা থেকে আমরা সর্বোচ্চটা দিয়ে খেলার চেষ্টা করছি।’
ম্যাচ সেরা হওয়ার অনুভূতি নিয়ে নাঈম বলেন, ‘আমি সবসময় আল্লাহর উপরে ভরসা রাখি। আমার ছোট থেকে এই পর্যন্ত আসায় আল্লাহর উপর আমি বিশ্বাস রেখেছি। আজকে ম্যাচের ভিতরে আল্লাহকে স্মরণ করতেছিলাম, আল্লাহ তুমি কোনভাবে আমাদের ম্যাচে ফেরার তৌফিক দান করো। আল্লাহ আমাদের রহম করেছে, আমরা জিতেছি।’
মিরপুরের দর্শকদের উদ্দেশ্যে এ কুইক অ্যাটাকার বলেন, ‘দর্শকই হচ্ছে আমাদের শক্তি। মাঠে দর্শকরা যখন জড়ো হয়, উল্লাস বা আনন্দ করে মনে হয় যেন ১৬ কোটি মানুষ আমাদের জন্য উল্লাস করছে। আমরা চাই তারা অবশ্যই মাঠে আসুক, আমাদের ভলিবলের জাগরণটা আরও বাড়িয়ে দিক। আমরা এটাই চাই।’
‘আজকের এ জয় আমাদের কোচ রায়ান মাসাজেদীকে উৎসর্গ করলাম। কোচ যেদিন প্রথম কোচিং করাতে এসেছিলেন, প্রথম দিনই বলেছেন আমার খেলোয়াড়দের মধ্যে হাঁটু ব্যথা, হাতে ব্যথা কোনো ব্যাথাই আমি পছন্দ করি না। আমার এখানে অনুশীলন করলে কখনো কোনো ইনজুরি হবা না আশা করি। বাকিটা উপর আল্লাহর ইচ্ছা।’







