২০২৬ সালে অস্ট্রেলিয়ায় বসতে যাচ্ছে মেয়েদের এএফসি এশিয়ান কাপের মূল আসর। এ আসরে গ্রুপপর্বে অপরাজিত থেকেই প্রথমবার খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। শেষ ম্যাচে তুর্কমেনিস্তানের বিপক্ষে বড় জয় তুলেছে আফঈদা খন্দকারের দল। মধ্য এশিয়ার দেশটিকে তারা হারিয়েছে ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে।
‘সি’ গ্রুপে থাকা বাংলাদেশ আগেই এশিয়ান কাপের মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল। বাছাইপর্বের প্রথম ম্যাচে বাহরাইনকে ৭-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে আসর শুরু করেছিল ঋতুপর্ণা-মনিকা চাকমারা। দ্বিতীয় ম্যাচে ৭৩ ধাপ এগিয়ে থাকা মিয়ানমারের বিপক্ষে বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ের পর তুর্কমেনিস্তানকেও দাঁড়াতে দেয়নি টাইগ্রেসরা।
মায়ানমারের কাছে বড় ব্যবধানে হারা তুর্কমেনিস্তানের বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বাংলাদেশ। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই আসে গোল, ডি বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার শটে টপকর্নার দিয়ে গোলের সূচনা করেন মিডফিল্ডার স্বপ্না রাণী। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ষষ্ঠ মিনিটে মনিকা চাকমার পাসে ম্যাচের দ্বিতীয় গোল করেন ফরোয়ার্ড শামসুন্নাহার জুনিয়র। ১৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এ ফরোয়ার্ড, ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় টাইগ্রেসরা।
ম্যাচের চতুর্থ গোল আসতেও খুব একটা সময় লাগেনি। ১৬ মিনিটে চতুর্থ গোল করেন মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা। পরের মিনিটে গোল করেন মিয়ানমার ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় ফরোয়ার্ড ঋতুপর্ণা চাকমা। ৫-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর ষষ্ঠ গোল আসে ২০ মিনিটের সময়, গোল করেন ফরোয়ার্ড তহুরা খাতুন। এ সময় তুর্কমেনিস্তান তাদের গোলরক্ষক পরিবর্তন করে। ৪০ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ফরোয়ার্ড ঋতুপর্ণা চাকমা। বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৭-০।
বিরতির পর বাংলাদেশ কিছুটা খেই হারিয়ে ফেলে। এ সময় বাংলাদেশ দল আর কোনো গোল করতে পারেনি। বেশ কিছু আক্রমণ সত্ত্বেও মারিয়া-উন্নতিরা তুর্কমেনিস্তানের রক্ষণে চীড় ধরাতে পারেননি, তাদরে গোলকিপারও আর কোনো ভুল করেননি। ফলে ওই ৭-০ গোলের ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।








