এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ছিলেন না শেখ মেহেদী হাসান। জিতলে সিরিজ নিজেদের এমন সমীকরণের ম্যাচে ফেরানো হয় এ স্পিনিং অলরাউন্ডারকে। ফিরেই মেহেদীর ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ৭ উইকেটে ১৩২ রানে থেমেছে লঙ্কানরা।
ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজ হারানোর পর টি-টুয়েন্টি সিরিজ নিজেদের করে নিতে লিটন দাসের দলের দরকার ১৩৩ রান। ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে শেখ মেহেদী ৪ ওভারে এক মেডেন দিয়ে ১১ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। দাসুন শানাকা শেষ দিকে করেছেন ২৪ বলে ৩৫ রান।
টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক চারিথ আশালাঙ্কা। প্রথম ওভারে শরিফুল ইসলামের বলে ঝড় তোলার চেষ্টা করেন দুই ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস। তবে প্রথম পাঁচ বলে ১৪ রান আসলেও শেষ বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন কুশল। ৪ বল খেলে ৬ রান আসে তার থেকে।
দ্বিতীয় ওভারে দলে ফেরা শেখ মেহেদী প্রথম বল মোকাবেলা করা কুশল পেরেরাকে প্রথম স্লিপে ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে ফেরান। তৃতীয় ওভারে শরিফুলের তৃতীয় বলে নিশাঙ্কার আকাশে তুলে দেয়া বলের ফ্লাইট বুঝতে না পেরে ক্যাচ ছাড়েন তানজিম সাকিব, পরের বলে মোস্তাফিজুর রহমান দিনেশ চান্দিমালের ক্যাচ ছেড়ে দেন।
পাওয়ার প্লের পঞ্চম ওভারে এসে শেখ মেহেদীর আরেক আঘাত। এবার এ স্পিনার সাজঘরে পাঠান চান্দিমালকে। মিড উইকেটে খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন, সেটা ধরতে ভুল করেনি জাকের আলী অনিক। পাওয়ার প্লে শেষে শ্রীলঙ্কার স্কোর দাঁড়ায় ৪০ রানে ৩ উইকেট।
পাওয়ার প্লে শেষে কিছুটা রান তোলার তাড়ায় ছিল লঙ্কানরা। এ সময় শেখ মেহেদীর আবার আঘাত। এবার সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক আশালাঙ্কা, করেন মাত্র ৩ রান। ১১তম ওভারে আবার মেহেদীর আঘাত। এবার আউট করেন ঝড়ো ৪৬ রান করা ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কাকে। ৩৯ বলে এ ইনিংস আসে নিশাঙ্কার থেকে।
শামীম হোসেন পাটোয়ারি বলে আসলে স্বাগতিকদের আরেক উইকেট পড়ে। তিনি আউট করেন কামিন্দু মেন্ডিসকে, ১৫ বলে ২১ করেন এ বাঁহাতি ব্যাটার। এরপর কিছুটা সময় লঙ্কানরা ব্যাট করলেও পরে মোস্তাফিজুর রহমান এসে সাজঘরে পাঠান জেফরি ভ্যানডার্সিকে।
মোস্তাফিজুর রহমান ১৬ রান দিয়ে এক উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া শামীম পাটোয়ারি ও শরিফুল ইসলাম নিয়েছেন একটি করে উইকেট।








