ব্যাটিং ধসের পর বল হাতেও আলো ছড়াতে পারেননি নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলামরা। গল টেস্টের প্রথম ইংনিসে সেঞ্চুরি করেছিলেন পাথুম নিশাঙ্কা। কলম্বোতে ক্যারিয়ারের চতুর্থ সেঞ্চুরির দেখা পেলেন। তাকে সঙ্গ দেয়া দিনেশ চান্দিমাল ১৭তম সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়ে ৯৩ রানে থেমেছেন। দুজনের ১৯৪ রানের জুটিতে ৪৩ রানের লিড আদায় করে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে স্বাগতিক দল।
সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ডে টসে জিতে আগে ব্যাটে নামে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে ৭৯.৩ ওভারে ২৪৭ রানে থামে টিম টাইগার্স। জবাবে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষের আগে ৭৮ ওভারে ২ উইকেটে ২৯০ রান তুলেছে শ্রীলঙ্কা। তৃতীয় দিনে নিশাঙ্কা ১৪৬ রানে এবং প্রবাথ জয়সুরিয়া ৫ রানে শুরু করবেন।
দ্বিতীয় দিনে শুরুর দিকেই শান্তদের থামিয়ে ব্যাটে নামে শ্রীলঙ্কা। উদ্বোধনীতে ৮৮ রান আনেন লাহিরু উদারা ও পাথুম নিশাঙ্কা। মধ্যাহ্ন বিরতির পর উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। উদারাকে ফেরান তাইজুল ইসলাম। ৬৫ বলে ৪০ রান করেন লঙ্কান ওপেনার।
নিশাঙ্কা ও চান্দিমাল টেনে নেন লঙ্কান ইনিংস। ৩১১ বলে ১৯৪ রানের জুটি গড়েন। ১৬৭ বলে ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন নিশাঙ্কা। ছিল ১২টি চারের মার। দলীয় ২৮২ রানের চান্দিমালের উইকেট হারায় লঙ্কানরা। নাঈম হাসানের বলে লিটন দাসের গ্লাভসবন্ধি হওয়ার আগে তিনি করেন ১৫৩ বলে ৯৩ রান, ছিল ১০টি চার ও একটি ছক্কার মার।
নাইটওয়াচম্যান প্রবাথ জয়সুরিয়াকে নিয়ে দিনের খেলা শেষ করেন নিশাঙ্কা।
৭১ ওভার ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২২০ রান তুলে প্রথমদিনের খেলা শেষ করেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনে কেবল ৮.৩ ওভার ব্যাট করে ২৭ রান যোগ করতে পারে টিম টাইগার্স। দিনের শুরুতে ইবাদত হোসেন ফিরে যান। পরে তাইজুল আউট হলে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। তাইজুল ৬০ বলে ৩৩ রান করেন।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ রান আসে সাদমান ইসলামের থেকে। ৯৩ বলে ৪৬ রান করেন। মুশফিকুর রহিম ৭৫ বলে ৩৫, লিটন দাস ৫৬ বলে ৩৪, মেহেদী হাসান মিরাজ ৪২ বলে ৩১ এবং নাঈম হাসান ৫১ বলে ২৫ রান করেন।
লঙ্কানদের সোনাল দিনুশা ও আসিথা ফের্নান্দো তিনটি করে উইকেট নেন। বিশ্ব ফের্নান্দো নেন দুটি উইকেট।







