এশিয়া কাপে প্রথম ম্যাচে হংকংকে হারিয়ে শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ, পরের ম্যাচেই অবশ্য ধাক্কা আসে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারের পর শঙ্কা জাগে টুর্নামেন্ট থেকে ছিট যাওয়ার। সবশেষ আফগানিস্তানের সঙ্গে জয়ের পর সুপার ফোরে ওঠার লড়াইয়ে এখনও টিকে আছে বাংলাদেশ। লাল-সবুজদের সেজন্য তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে শ্রীলঙ্কা-আফগান ম্যাচের দিকে। যে ম্যাচে লঙ্কানরা জিতলে সুপার ফোর উঠে যাবে বাংলাদেশ। আর আফগানিস্তান জিতে গেলে আসবে নেট রানরেটের জটিল হিসাব-নিকাশ, যেখানে বেশ পিছিয়ে টিম-টাইগার্স।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে মঙ্গলবার রাতে আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গ্রুপপর্বের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটে নেমেছিল বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রানের সংগ্রহ গড়ে টিম টাইগার্স। জবাবে ২০ ওভারে ১৪৬ রানে সব উইকেট হারিয়ে থামে আফগানিস্তান। ৮ রানে জেতে লিটন দাসের দল।
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপপর্ব শেষ করেছে বাংলাদেশ। এক ম্যাচ কম খেলা আফগানিস্তানকে টপকে আপাতত পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। ২ ম্যাচে দুটি জয় পাওয়া শ্রীলঙ্কার পয়েন্টও ৪। তবে শ্রীলঙ্কা নেট রানরেটের হিসেবে বাংলাদেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছে, আবার তারা একটি ম্যাচ কমও খেলেছে। শ্রীলঙ্কার নেট রানরেট (+১.৫৪৬), বাংলাদেশের (-০.২৭০)। আফগানিস্তানের নেট রানরেট (+২.১৫০)।
শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কা জিতে গেলে নেট রানরেট বাধা হবে না বাংলাদেশের। ম্যাচটি পরিত্যক্ত হলেও বাংলাদেশই উঠে যাবে সুপার ফোরে। কিন্তু আফগানিস্তান জিতলে তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে উঠে যাবে সুপার ফোরে। তখন বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কাকে আলাদা করা হবে নেট রানরেটের ভিত্তিতে।
এই হিসেবে বেশ এগিয়ে লঙ্কান দল। গ্রুপের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তান আগে ব্যাট করে ২০০ করলে, রানতাড়ায় ১২৮ করতে পারলেই শেষ চারে যাবে শ্রীলঙ্কা। আফগানরা ১৫০ করলে শ্রীলঙ্কার ৮৪ করলেই চলবে। আর শ্রীলঙ্কা আগে ব্যাট করলে বাংলাদেশকে সুপার ফোরে তুলতে আফগানিস্তানকে জিততে হবে ১১ থেকে ১২ ওভারের মধ্যে।
সুপার ফোরে খেলতে বাংলাদেশের ঝুলিতে তাই কিছু সমীকরণ অবশিষ্ট আছেই। তবে সেটা মেলানোর সুযোগ লিটনের দলের হাতে নেই। সমীকরণের জন্য সর্বাঙ্গেই তাকি থাকতে হচ্ছে গ্রুপের অন্য প্রতিপক্ষের দিকে।








