আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেও প্রথমার্ধে একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও জালে বল জড়াতে পারছিল না বাংলাদেশের যুবারা। বারবারই লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হচ্ছিল ফরোয়ার্ডরা। কোনো গোল ছাড়াই শেষ হয় প্রথমার্ধ।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আক্কাস আলীর পরিবর্তে ফরোয়ার্ড মিরাজুল ইসলামকে খেলতে নামান কোচ হিসেবে প্রথমবার দায়িত্ব পাওয়া বাফুফের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল স্মলি। ৭১ তম মিনিটে বহুল কাঙ্খিত লিড পায় বাংলাদেশ। শাহিন মিয়ার বাড়ানো বলে কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করেন মিরাজুল। আর তাতেই তিনি বনে যান ‘সুপারসাব’।
সাফ অনুর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের নায়ক মিরাজুল ইসলাম স্বাভাবিকভাবেই গোল করে অবদান রাখতে পারায় বেশ আনন্দিত।
ম্যাচ শেষে নিজের অনুভূতি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘খুবই ভালো লাগছে। রুমে ফেরার পর সবাই মেসেজ দিয়েছে। সবাই খুশি হয়েছে। আমি বাংলাদেশের মানুষের হাসি মুখ দেখতে চেয়েছিলাম, সেটা পেরেছি। ভারতের সঙ্গে এর ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাই।’
বাংলাদেশের পরের ম্যাচের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী ভারত। নিজেকে মেলে ধরার ব্যাপারে আশাবাদী মিরাজুল বলেন, ‘শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বিরতির পর নেমেছি। ভারতের বিপক্ষে যদি আরও বেশি সময় খেলার সুযোগ পাই, সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করব। আরও ভালো কিছু করার চেষ্টা করব।’
ভারতের সঙ্গে মাঠে নামার আগে দেশবাসীর কাছে অনুরোধ জানিয়ে মিরাজুল আরও বলেন, ‘দেশের মানুষের কাছে অবশ্যই কিছু বলার আছে। সামনে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন, যেন আমরা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততে পারি।’









