এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
সুপার ফোরে বাঁচামরার লড়াইয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে দারুণ বোলিং করেছে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের নাস্তানাবুদ করেছেন রিশাদ-তাসকিনরা। তবে মোহাম্মদ হারিস ও মোহাম্মদ নাওয়াজের ব্যাটে লড়াইয়ের পূঁজি পেয়েছে সালমান আগার দল। ফাইনালে খেলতে বাংলাদেশকে করতে হবে ১৩৬ রান।
বৃহস্পতিবার আরব আমিরাতের দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটে পাঠায় বাংলাদেশ। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১৩৫ রান সংগ্রহ করেছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানকে ব্যাটে পাঠিয়ে শুরু থেকে চেপে ধরে টাইগার বোলাররা। প্রথম ওভারেই সাফল্য পায় বাংলাদেশ। ৪ রানে সাহিবজাদা ফারহানকে সাজঘরে ফেরান তাসকিন আহমেদ, ক্যাচ তুলে দেন রিশাদ হোসেন হাতে। ৪ বলে ৪ করে ফিরেন তিনি। এ উইকেট নিয়ে তাসকিন টি-টুয়েন্টিতে তৃতীয় বাংলাদেশি বোলার হিসেবে ১০০ উইকেটের মাইলফলকে পৌঁছান। তার আগে এই কীর্তি গড়েছেন সাকিব ও মোস্তাফিজ

৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। সাইম আইয়ুবকে রিশাদের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান মেহেদী হাসান। কোন রান না করেই ফিরেন তিনি। ২৯ রানে তৃতীয় উইকেট তুলে নেয় বাংলাদেশ। ২০ বলে ১৩ করে রিশাদের শিকার হন ফখর জামান। দলীয় ৩৩ রানে হুসাইন তালাতকে দ্বিতীয় শিকার বানান রিশাদ। ৭ বলে ৩ রান করেন তালাত।
৪৯ রানে পঞ্চম উইকেট হারায় পাকিস্তান। মোস্তাফিজের শিকার হন সালমান। ২৩ বলে ১৯ রান করেন। ৭১ রানে শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ফেরান তাসকিন। তিনবার জীবন পেয়ে চতুর্থবার জাকেরের গ্লাভসে ধরা পড়েন। ১৩ বলে ১৯ রান করেন।
সপ্তম উইকেটে মোহাম্মদ হারিস এবং মোহাম্মদ নাওয়াজের ২৪ বলে ৩৮ রানের জুটি গড়েন। ১০৯ রানে ফিরতি ক্যাচে হারিসকে ফেরান মেহেদী। ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৩ বলে ৩১ রান করেন। ১২০ রানে নাওয়াজকে নিজের তৃতীয় শিকার বানান তাসকিন। ১ চার ও ২ ছক্কায় ১৫ বলে ২৫ রান করেন। পরে ফাহিম আশরাফ ও হারিস রউফ মিলে ইনিংস শেষ করেন। ফাহিম ১৪ এবং হারিস ৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
বাংলাদেশ বোলারদের মধ্যে তিন উইকেট নেন তাসকিন। রিশাদ এবং মেহেদী দুটি করে উইকেট নেন। মোস্তাফিজ নেন একটি উইকেট।








